ছবি: সংগৃহীত
নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অপেক্ষায় থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। গত ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকরের প্রত্যাশা থাকলেও এখন পর্যন্ত সরকার এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, নতুন পে স্কেলের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। অর্থ বিভাগের সূত্র জানায়, আগামী অক্টোবরে আইএমএফের বার্ষিক সভার আগেই গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নতুন পে স্কেল অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিলেও সরকার সেই সুপারিশ গ্রহণ করেনি। সরকারের মতে, প্রয়োজন হলে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রস্তাবিত নবম পে স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। নতুন পে স্কেলের আওতায় প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কয়েক লাখ পেনশনভোগী সুবিধা পাবেন।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৮২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, নতুন পে স্কেলের সঙ্গে আইএমএফের ঋণের কোনো সম্পর্ক নেই এবং অনুমোদন মিললেই দ্রুত গেজেট প্রকাশ করা হবে।