প্রকাশিত : ০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০ (সোমবার)

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় বর্তমানে রিফিউজি রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্ট (ডিপিপি) কর্মসূচির আওতায় শনাক্ত করা মিয়ানমারের শরণার্থীদের প্রাথমিক তথ্য চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল।

তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইমিগ্রেশন বিভাগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সহযোগিতায় তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করছে।

রোববার (৯ আগষ্ট) স্টার সিটি এফসি ট্যুর কনভয়ের পতাকা উড়িয়ে যাত্রা শুরুর অনুষ্ঠানের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি আশা করছি, চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে আমরা প্রথম তথ্য পাব। এখন আগস্ট মাস। সংখ্যা যতই হোক, পরবর্তীতে আমি তা গণমাধ্যমের সঙ্গে শেয়ার করব।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নির্দেশনা নম্বর ২৩ (২০২৩ সালের সংশোধিত সংস্করণ) অনুযায়ী মিয়ানমারসহ শরণার্থী হিসেবে শনাক্ত ব্যক্তিদের বিষয়টি সুশৃঙ্খলভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইমিগ্রেশন বিভাগের মাধ্যমে এই রিফিউজি রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্ট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে শরণার্থী হিসেবে শনাক্ত ব্যক্তিদের আরও নির্ভুল, পূর্ণাঙ্গ ও যাচাইযোগ্য বায়োমেট্রিক তথ্য এবং পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

সাইফুদ্দিন নাসুশন বলেন, শরণার্থী হিসেবে বৈধভাবে শনাক্ত ব্যক্তিদের প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
তিনি বলেন, তারা যদি সত্যিকারের শরণার্থী হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই তারা আমাদের প্রত্যাবাসন ব্যবস্থাপনার প্রথম দিকের তালিকায় থাকবে। এ বিষয়টি উইসমা পুত্রা দেখবে।

তিনি আরও বলেন, `আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি। তাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য আমাদের একটি কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। মালয়েশিয়া সরকার যে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে, সে বিষয়ে তাদের জানানো হবে এবং তাদের স্বেচ্ছায় সামনে এসে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হবে।'

সাইফুদ্দিন নাসুশন স্পষ্ট করে বলেন, শরণার্থীদের তথ্য সংগ্রহের এই কার্যক্রম শুধু মিয়ানমারের নাগরিকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মালয়েশিয়ায় শরণার্থী হিসেবে শনাক্ত সব ব্যক্তিই এই তথ্য সংগ্রহ কর্মসূচির আওতাভুক্ত।