প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৪২ (সোমবার)
এসএসসিতে স্কলার্সহোমের পাসের হার ৯৯.৭৮ শতাংশ

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় আবারও ভালো ফলাফল অর্জন করেছে সিলেটের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোম। প্রতিষ্ঠানটির চারটি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা এবারও অসাধারণ ফলাফল অর্জন করে নিজেদের ধারাবাহিক সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে।

স্কলার্সহোমের ক্যাম্পাসগুলোতে এবার মোট ৪৫১ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৫০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে ২১৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। সম্মিলিতভাবে প্রতিষ্ঠানের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৯.৭৮ শতাংশ।

চলতি বছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডে সার্বিক পাসের হার যেখানে ৫৮.৩৩ শতাংশ সেখানে স্কলার্সহোমের এই অসাধারণ ফলাফল শিক্ষা অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

স্কলার্সহোমের শাহী ঈদগাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে পাসের হার শতভাগ। এ ক্যাম্পাসের ২০০ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ১৪২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

পাঠানটুলা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসেও পাসের হার শতভাগ। মোট ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ জন।

দক্ষিণ সুরমা স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে ৩১ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এ ক্যাম্পাসে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন। বাকি ১৯ জন শিক্ষার্থীই জিপিএ ৪-এর ওপরে ফলাফল অর্জন করেছে।

অন্যদিকে, মেজরটিলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে নিবন্ধিত ১৮২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৮১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে। এ ক্যাম্পাসে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৪৯ জন শিক্ষার্থী।

প্রতিষ্ঠানের এই ধারাবাহিক সাফল্যে আনন্দিত ও গর্বিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা। তারা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সচেতনতা এবং শিক্ষকদের আন্তরিক ও নিবিড় পাঠদানের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এমন সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

চমৎকার এই ফলাফল প্রসঙ্গে স্কলার্সহোম শাহী ঈদগাহ ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ মুনির আহমেদ কাদেরী, মেজরটিলা ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ ফয়জুল হক, পাঠানটুলা ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ এবং দক্ষিণ সুরমা ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল আনাম মোহাম্মদ রিয়াজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, সম্মানিত অভিভাবকদের সচেতনতা এবং আমাদের শিক্ষকবৃন্দের নিবিড় ও আন্তরিক পাঠদানের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। বোর্ডের গড় ও সামগ্রিক ফলাফলের তুলনায় আমাদের শিক্ষার্থীদের এই মেধার স্বাক্ষর সত্যিই প্রশংসনীয়।’