ছবি: সংগৃহীত
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে চেতনা যুব পরিষদের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি–২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে নগরীর আম্বরখানা সরকারি কলোনি স্কুল মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিলেট নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, বৃক্ষ আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ। একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, এটি মানুষ ও প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়তে আমাদের সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে এবং লাগানো গাছের পরিচর্যা করতে হবে।
রেজাউল হাসান কয়েস লোদী আরও বলেন, চেতনা যুব পরিষদের মতো সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তরুণদের নেতৃত্বে পরিবেশ, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তিনি মানুষের কল্যাণে চেতনা যুব পরিষদের নেয়া বিভিন্ন মহতি ও সেবামূলক কাজের বুয়াসি প্রশংসা করেন এবং চলমান ও ভবিষ্যৎ সকল কল্যাণমূলক কার্যক্রমের সফলতা কামনা করেন।
চেতনা যুব পরিষদের সভাপতি জুলকার নায়েন, চেতনার ইউকে সভাপতি এস এম কিবরিয়া-সহ দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত বিভিন্ন সদস্যবৃন্দ বৃক্ষরোপন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
বৃক্ষরোপণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফ্রিডম জেনারেল হাসপাতাল সিলেটের চেয়ারম্যান ডা. রইস উদ্দিন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চেতনা যুব পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল হাসিব, সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা মুফতি আহমদুল হক উমামা, সরকারি কলোনি স্কুলের প্রধান শিক্ষক গণেশ কুমার পাল দিপু, মো. নূর ইসলাম খান বিপ্লব, বন ও পরিবেশ সম্পাদক ডা. মিসবাহুল হক, নির্বাহী সদস্য আব্দুল করিম, ক্রীড়া সম্পাদক শিশির রঞ্জন চক্রবর্তী, ধর্ম সম্পাদক মাওলানা আমিন উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, সদস্য আফসারুজ্জামান, সাইফুর রহমান ইমন, কবি কামাল আহমদ, সহ সভাপতি আব্দুস সোবহান আজাদ, এইচ এম কাওসার, লুতফুর রহমান-সহ চেতনা যুব পরিষদের অন্যান্য সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। অনুষ্ঠানে চেতনা যুব পরিষদের নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতেও পরিবেশ সংরক্ষণসহ শিক্ষা, ক্রীড়া, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।