প্রকাশিত : ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ০০:১৪ (বুধবার)
জিল্লুল হক চেয়ারম্যানের ৩য় মৃ/ত্যুবার্ষিকী আজ

১৯৪৯ সালের ২২মে জন্মেছিলেন তিনি। চিরতরে চোখ বুজেছেন ২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট। মাঝখানে তিনি রেখে গেছেন খোলা বইয়ের মতোই উন্মুক্ত তার ৭৪ বছরের জীবন। সকল লোভ, মোহ এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে রেখে একালের রাজনীতিতে এক ব্যতিক্রমী চরিত্র হিসেবে স্বমহিমায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন মরহুম মো.জিল্লুল হক।

আজ তার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। দৃঢ়তা, অটুট মনোবল, সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপন এবং প্রখর ব্যক্তিত্বে তিনি ছিলেন অনন্য একজন ব্যতিক্রমী রাজনীতিবিদ। বৃহত্তর বালাগঞ্জের মানুষের কাছে জিল্লুল হক সততা ও স্বচ্ছতার প্রতীক। তাদের মতে একজন সৎ আর্দশবান নেতা নির্দিষ্ট কোনো দলের হয় না, তিনি সকলের শ্রদ্ধেয়। 

মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর আতাউল গণি ওসমানী, সাবেক প্রভাবশালী সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলীর বিশ্বস্ত সহচর ছিলেন সরলপ্রাণ এই নেতা। ৮০'র দশকে গ্রাম সরকার প্রধান ছিলেন নিজ গ্রামের। ১৯৯২ সালে ৩নং পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। উন্নয়নভাবনা আর কাজের জন্যও একজন ব্যতিক্রমী চেয়ারম্যান হিসেবে পৈলনপুরবাসী জিল্লুল হককে মনে রাখবে বহুদিন।

তিনি পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেও বোঝা যেতো কেউ একজন গেছেন। অথচ সেটা দাম্ভিকতা নয় বরং ঈর্ষন্বীয় এক ব্যক্তিত্ব। জিল্লুল হকের ব্যক্তিত্বই রাজকীয়। যেকোনো জায়গায় তার উপস্থিতিতে বদলে যেতো পরিস্থিতি। ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, উপজেলা কৃষকদলের সাবেক এই সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক সবশেষ ছিলেন ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা। পালন করেন বৃহত্তর গলমুকাপন পঞ্চায়েত পরিষদের সভাপতির দায়িত্বও।

মরহুম জিল্লুল হকের চলে যাওয়ার তিন বছরে রাজনৈতিকভাবে যেমনি অভিভাবকশূন্য হয়ে পড়েছে পশ্চিম পৈলনপুর, তেমনি বৃহত্তর বালাগঞ্জবাসী অনুভূব করছে বিরল এই রাজনীতিকের শূন্যতাকে।