প্রকাশিত : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২৫ (বৃহস্পতিবার)
গু.ম-খু.নের মামলায় হাতকড়া পরিয়ে জিয়াউলকে ট্রাইব্যুনালে হাজির

ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দশম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

দশম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিচ্ছেন ৬০ বছর বয়সী আব্বাস মল্লিক। তাঁর বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তাঁর ভাই আলকাছ মল্লিককে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন আব্বাস।

ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি করছেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিমসহ অন্য প্রসিকিউটররা।

এদিন সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। হাজতখানায় নেওয়ার সময় তাঁর হাতে হাতকড়া এবং গায়ে পুলিশের ভেস্ট ছিল। তবে এর আগে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে হাতকড়া ছাড়াই ট্রাইব্যুনালে আনা-নেওয়া করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, আসামিকে হাতকড়া পরানো হবে কি না, সেটি জেল কর্তৃপক্ষের বিষয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কীভাবে আসামিকে আদালতে নিয়ে আসবেন, সেটিও তাঁদের এখতিয়ার।

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। তবে আসামির প্রতি আচরণে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে বা ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেআইনি কোনো কাজ করলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

মিজানুল ইসলাম আরও বলেন, এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ট্রাইব্যুনালে কোনো আবেদন করেনি। আবেদন করা হলে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য শুনানি হতো।