প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:২৪ (মঙ্গলবার)
দুদকের পরিদর্শনের পর সিলেট ওসমানীতে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার তলব

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের নিয়মিত দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর আগস্ট মাসের ডিউটি রোস্টার চেয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সিলেটের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের কাছ থেকে এ তথ্য চাওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত কিছু চিকিৎসক নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন না- এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও চিকিৎসকদের সতর্ক করা হয়েছিল।

এরই মধ্যে সম্প্রতি দুদক, সিলেটের একটি দল হাসপাতাল পরিদর্শন করে। পরিদর্শনের সময় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিকিৎসকদের উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে দুদক, সিলেটের স্মারক নং-০০.০১.৯০০০.৭৫২.৯৯.০৩৭.২৬৮৫৯, তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর পরিপ্রেক্ষিতে আগস্ট মাসে হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. কে. এম. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, দুদকের চাহিদা অনুযায়ী ১ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত হাসপাতালে কর্মরত সব চিকিৎসকের ডিউটি রোস্টার জরুরি ভিত্তিতে পাঠাতে হবে। সংশ্লিষ্টদের এক কর্মদিবসের মধ্যে এসব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।

দুদকের পরিদর্শনের পর চিকিৎসকদের আগস্ট মাসের ডিউটি রোস্টার চাওয়ার ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রোস্টারে উল্লেখ করা দায়িত্বের সময়সূচির সঙ্গে চিকিৎসকদের বাস্তব উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনের মিল রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

হাসপাতালসংশ্লিষ্টদের মতে, ওসমানী হাসপাতালের মতো বৃহৎ সরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগীদের চিকিৎসাসেবা নির্বিঘ্ন রাখতে ডিউটি রোস্টার যথাযথভাবে অনুসরণ হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।

তবে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির অভিযোগের বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। দুদকের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।