প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:১৭ (মঙ্গলবার)
কমলগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে আ/ট/কে রেখে সংঘবদ্ধ ধ/র্ষ/ণ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (১৪) পাঁচ দিন আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার পর তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ, তবে প্রধান অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা মামলায় পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আটকরা হলেন, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের হাসানপুর গ্রামের মো. জাহেদ আহমেদের ছেলে মো. জাহেদ আহমেদ (২৪), রাজনগর উপজেলার খারপাড়া গ্রামের রাজু আহমেদের ছেলে রাজু আহমেদ (২২) এবং একই উপজেলার বাহাদুরগঞ্জ গ্রামের জুবেল মিয়ার ছেলে জুবেল মিয়া (৩০)। মামলার অপর আসামি রাজনগর হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা কবির (৩০) পলাতক রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রধান অভিযুক্ত জাহেদ আহমেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিচয় হয় এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে কৌশলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে নেওয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার শহরের চাঁদনীঘাট এলাকা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রাজনগরের বাহাদুরগঞ্জে জুবেল মিয়ার বসতবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে রাতভর ওই ছাত্রীর ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ১৩ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধান অভিযুক্ত জাহেদের বাড়িতে আটকে রেখেও তার ওপর নির্যাতন অব্যাহত রাখা হয়।

একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কের পাশে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে।

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমর উদ্দিন বলেন, আটক আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

সূত্র- যুগান্তর