ছবি: সংগৃহীত
মধ্য আশ্বিন পেরিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃতির নিয়মে ঋতুর পালাবদলের এই সময়ে শীতের আগমনী বার্তা শোনার কথা। কিন্তু বাস্তবতা যেন একটু ভিন্ন। ভোরে কোথাও কোথাও কুয়াশার নরম পরশ, ঘাসের ডগায় শিশির; অথচ মধ্য দুপুরে মাথার ওপর ঝলসে ওঠে গ্রীষ্মের মতো তীব্র রোদ। শরতের মায়াবী সকাল আর দুপুরের কাঠফাটা গরম-দুই বিপরীত আবহাওয়ার দোলাচলে প্রশ্ন জাগছে, তবে কি শীত সত্যিই দরজায় কড়া নাড়ছে, নাকি এখনও অনেকটা পথ বাকি?
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় অবশ্য শীতের আগমনী সুর কিছুটা আগেই শোনা যাচ্ছে। সোমবার সকাল ৯টায় সেখানে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। ভোরে কুয়াশা, শিশির আর উত্তরের ঠান্ডা বাতাস জানান দিচ্ছে ঋতু বদলের। তবে একই দিনে দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠেছে।
অর্থাৎ শীত এখনও পুরোপুরি আসেনি; বরং শরৎ ও হেমন্তের সন্ধিক্ষণে প্রকৃতি যেন একসঙ্গে দুই ঋতুর গল্প বলছে। উত্তরের জনপদে কুয়াশা শীতের খবর দিচ্ছে, আর দুপুরের প্রখর রোদ মনে করিয়ে দিচ্ছে; গ্রীষ্মের উত্তাপও এখনো পুরোপুরি বিদায় নেয়নি। পঞ্চগড়ে অবশ্য ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের অন্য অনেক এলাকার তুলনায় শীতের অনুভূতি আগেই শুরু হয়।