প্রকাশিত : ০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:০৮ (শনিবার)
চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে দেশবিক্রির অভিযোগ অমূলক-বাণিজ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সম্পাদিত চুক্তিকে কেন্দ্র করে দেশবিক্রির যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা পুরোপুরি অমূলক বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, এ চুক্তির কারণে বন্দরের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি হারাবেন না। বরং বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে তাঁদের পারিশ্রমিকও বাড়বে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ চুক্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে দেশবিক্রির অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। চুক্তির ফলে বন্দরের কেউ চাকরিচ্যুত হবেন না। বরং বন্দরের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পারিশ্রমিকও বৃদ্ধি পাবে।

এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় অবস্থান পুনরুদ্ধারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের মতো ধর্মীয় সম্প্রীতি বিশ্বে অদ্বিতীয়। এই সম্প্রীতি দেশের গর্ব ও ঐতিহ্য।

সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় পূজা উদযাপনে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। বক্তব্য দেন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারওয়ার মুর্শেদ শামীম বিপিএম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম, রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী চন্দ্রনাথানন্দ মহারাজ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা।

এছাড়া বিভিন্ন পূজামন্ডপের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।