ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর প্রবেশ করা শরণার্থীদের নতুন করে শরণার্থী নিবন্ধন নথি (ডিপিপি) দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে না দেশটির সরকার। তবে আগে থেকে অবস্থানরত ও নিবন্ধনের আওতাভুক্ত শরণার্থীদের মধ্যে কর্মক্ষম ব্যক্তিদের শ্রমবাজারের বিভিন্ন খাতে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা বিবেচনা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কুয়ালালামপুরে দেশটির সংসদে মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব তথ্য জানান মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারি বা তার আগে থেকে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত শরণার্থীদেরই ডিপিপির আওতায় নিবন্ধন করা হবে। ওই সময়ের পর দেশটিতে প্রবেশ করা শরণার্থীরা নতুন করে নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন না।
তিনি আরও জানান, ডিপিপির আওতায় নিবন্ধিত এবং নিরাপত্তা যাচাইয়ে উত্তীর্ণ শরণার্থীদের শ্রমবাজারের বিভিন্ন খাতে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে। এর মাধ্যমে কর্মক্ষম শরণার্থীদের শ্রমবাজারে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার হিসাব উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়ায় বর্তমানে প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজার শরণার্থী রয়েছেন।
নতুন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা বজায় রাখার পাশাপাশি নিবন্ধিত শরণার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে মালয়েশিয়া সরকার। তবে শ্রমবাজারে তাঁদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত সিদ্ধান্তের কথা মন্ত্রী জানাননি।