প্রকাশিত : ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:১৩ (শনিবার)
ইনানীর রিসোর্টে আগুনে ১০ মৃত্যু, ৬ জনের পরিচয় মিলেছে

ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে পর্যটনকেন্দ্রের একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নারী ও পাঁচ বছরের এক শিশুসহ নিহত ১০ জনের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদের সবাই পর্যটক। নিহতরা হলেন ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ।

আহতরা হলেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।


শনিবার সকালে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার টুপটুপ রেস্তোরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টে এ আগুন লাগে। এতে তিনতলা কাঠের স্থাপনাটি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় মোট ৬জনের মত্যু ও আরও ছয়জন আহত হন, যাঁদের মধ্যে পাঁচজন দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রিসোর্টটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানো ও উদ্ধারকাজ শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর বেলা ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ।

আহতরা হলেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা সবুক্তগীন মাহমুদ সোহেল জানান, আহত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনের শরীর আগুনে দগ্ধ হয়েছে। তাঁদের শরীরের প্রায় ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। দগ্ধ পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরজন পড়ে গিয়ে আহত হয়েছিলেন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শুরু করে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, রিসোর্টটির তিনটি তলাই কাঠের তৈরি ছিল। আগুনে পুরো স্থাপনাটি পুড়ে গেছে।

কক্সবাজার শহরের কলাতলী থেকে প্রায় ২৯ কিলোমিটার দূরে রিসোর্টটির অবস্থান। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও নির্ধারণ করা হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দোলন আচার্য জানিয়েছেন, আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।