প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৫৮ (সোমবার)
কম্বোডিয়ায় আটকে ১,৮০০ বাংলাদেশি, প্রত্যাবাসনে সরকারের সহায়তা কামনা

ছবি: সংগৃহীত

কম্বোডিয়ায় চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার শিকার হয়ে ১ হাজার ৮০০-এর বেশি বাংলাদেশি কর্মী আটকে পড়েছেন। তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের জরুরি সহায়তা চেয়েছে অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন।

রোববার প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে আবেদন জমা দেয় সংগঠনটি। আবেদনের অনুলিপি পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডেও পাঠানো হয়েছে।

সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি অনুসারে জরিমানা মওকুফের আওতায় দেশে ফেরার জন্য ১ হাজার ৭৯৭ জনের তালিকা গ্রহণ করেছে কম্বোডিয়ার কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া নির্ধারিত সময়ে আবেদন করতে না পারা আরও ৪০০-এর বেশি বাংলাদেশি একই সংকটে রয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রতিশ্রুত চাকরির পরিবর্তে তাঁদের অনলাইন প্রতারণাকেন্দ্রে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁদের অনেকে পাসপোর্ট আটকে রাখা, ভয়ভীতি, নির্যাতন ও মুক্তির বিনিময়ে অর্থ দাবির শিকার হয়েছেন।

কম্বোডিয়া সরকার স্ক্যাম সেন্টার বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। এ জন্য বিশেষ ফ্লাইট, ভ্রমণ নথি সংগ্রহে সহায়তা, জরুরি কূটনৈতিক সমন্বয়, ভুক্তভোগীদের পুনর্বাসন এবং মানব পাচারকারীদের বিচারেরও দাবি জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি আল আমিন বলেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি নাগরিকদের নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে এনে পুনর্বাসন নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।