ছবি: সংগৃহীত
তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়াপ্রতিভা খুঁজে বের করার লক্ষ্যে শুরু হচ্ছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসর। এবারের আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন ১৬ লাখ ২৩ হাজার শিশু-কিশোর। আগামী বৃহস্পতিবার খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিন দেশের ৫০৩টি উপজেলায় অনলাইনে সম্প্রচার করা হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
এ সময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ জাহেদ পারভেজ চৌধুরীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্তিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রথম আসর থেকে বাছাই করা ৪০ জন প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে আগামী জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) স্থায়ীভাবে ভর্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দ্বিতীয় আসরে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। নিবন্ধিত ১৬ লাখ ২৩ হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩৩ জন কিশোর এবং ৬ লাখ ৮৯ হাজার ১৩৫ জন কিশোরী।
প্রথম আসরের আটটি ইভেন্টের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ভলিবল ও টেবিল টেনিস। ফলে দ্বিতীয় আসরে মোট ১০টি খেলায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে আগামী মে-জুনের মধ্যে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ের আয়োজন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় আসরের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরপরই তৃতীয় আসরের পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
দেশে ক্রীড়া প্রশিক্ষকের সংকটের বিষয়টিও সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে কোচের সংখ্যা কমছে এবং অনেক ক্রীড়া ফেডারেশনে কোচ নেই। নতুন কুঁড়ির কার্যক্রম পরিচালনা করছে ক্রীড়া পরিদপ্তর। অন্যদিকে, ক্রীড়া কর্মকর্তারা মূলত প্রতিযোগিতা ব্যবস্থাপনায় ব্যস্ত থাকেন।
এ পরিস্থিতিতে কোচদের ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানান আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমরা কোচদের ক্রীড়া ভাতায় আনতে চাই। কোচরা যেন আধুনিক প্রশিক্ষণ পায় ও ভালো খেলোয়াড় তৈরি করতে পারে, এ জন্য আমরা সচেষ্ট।’