ছবি: সংগৃহিত
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং বিশেষ করে প্রবাসীদের সম্মানজনক ও আন্তরিক সেবা নিশ্চিত করতে পরিচালক মো. হাফিজ আহমেদের নেওয়া উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার বলে মন্তব্য করেছেন এয়ারলাইন্স ক্লাব অব সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি খন্দকার সিপার আহমেদ।
তিনি বলেন, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সিলেটবাসীর আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। হাফিজ আহমেদ তাঁর কর্মজীবনে বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে যেসব উদ্যোগ নিয়েছেন এবং দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে প্রবাসীরা যাতে বিমানবন্দরে সম্মানজনক ও আন্তরিক সেবা পান, সে লক্ষ্যে তাঁর নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার বিষয়টি কখনো ভুলে যাওয়ার নয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত ৯টায় নগরের একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমেদের অবসর উপলক্ষে এয়ারলাইন্স ক্লাব অব সিলেট আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিদায়ী বিমানবন্দর পরিচালক মো. হাফিজ আহমেদ। অনুষ্ঠানে ক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁকে ক্রেস্ট প্রদান করে সম্মাননা জানানো হয়।
এয়ারলাইন্স ক্লাব অব সিলেটের সভাপতি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ জিহান চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সালাম এয়ারের বাংলাদেশ কান্ট্রি ম্যানেজার মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম (রাজন) ও ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুর রহমান।
বিদায়ী বক্তব্যে মো. হাফিজ আহমেদ বলেন, সিলেটে আসা মানুষের আনন্দ ও উচ্ছ্বাস তাঁকে সবসময় মুগ্ধ করত। বিমানবন্দরের বর্তমান অবস্থানের পেছনে এয়ারলাইন্স ক্লাব, কর্মকর্তা-কর্মচারী, যাত্রী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিত অবদান রয়েছে। সবার সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হতো না।
তিনি বলেন, একজন যাত্রীর যেমন অধিকার রয়েছে, তেমনি দায়িত্বও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত হবে। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও ওসমানী বিমানবন্দরের পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেছেন, যা সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।
বিমানবন্দরের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি কর্মজীবনে সহযোগিতার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং অবসর-পরবর্তী জীবনের জন্য সবার দোয়া কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা হাফিজ আহমেদের কর্মজীবনের সাফল্য, পেশাদারিত্ব ও সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর আন্তরিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা তাঁর অবসর-পরবর্তী জীবনের সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হুমায়ুন কবির, আব্দুল্লাহ জাহেদ, আব্দুল্লাহ আল হারুন, মো. মারুফ আহমেদ, আফসার আলম, মোরশেদ ফখরুল, মো. বদরুল আলম, মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন, সেলিম আল রাজী, মো. হামেদ বিন হানিফ, পঙ্কজ কুমার বড়ুয়া, মো. মুসা আহমেদ রবিন, সাব্বির আহমদ মুন্না, শমসের তাবরিজ প্রীতমসহ ক্লাবের সদস্যরা।