প্রকাশিত : ১৫ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৩৪ (বৃহস্পতিবার)
‘আমরা রাজপথ দখল করলে ১০ মিনিটও দাঁড়াতে পারবে না’

ছবি: সংগৃহিত।

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আলম বিপ্লব বলেছেন, ‘রাজপথে আমরা নামলে জামায়াত-শিবির কিংবা অন্য কেউ ১০ মিনিটও দাঁড়াতে পারবে না। এতদিন তারেক রহমানের নির্দেশে ধৈর্য ধারণ করেছি। তবে আমাদের সহনশীলতাকে কেউ দুর্বলতা মনে করলে তার জবাব রাজপথেই দেওয়া হবে।’

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

নুরুল আলম বিপ্লব বলেন, ‘১৯৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার সূর্য উদিত হয়েছিল। অথচ আজ তার ছবিকে পদদলিত করার দৃষ্টতা দেখানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগের ছায়াতলে থাকা রাজাকার-আলবদররা এই ন্যক্কারজনক কাজ করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে রাজাকার-আলবদর নির্মূলে শুধু স্বেচ্ছাসেবক দলই যথেষ্ট। আমরা কোনো ষড়যন্ত্র সহ্য করবো না। যারা তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করে, তাদের পাকিস্তান পাঠিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘গণতন্ত্র সুসংহত করতে নির্বাচন দরকার। তবে নির্বাচন হলে তোমরা পাঁচটি আসনও পাবে না। সেই আতঙ্কেই গোয়েন্দা সংস্থার ছত্রচ্ছায়ায় দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করছো।’

এ সময় তিনি প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় দেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও ষড়যন্ত্রমূলক অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরিরও প্রতিবাদ জানান।

পথসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোনাজ্জির হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক সুহেল মিয়া, শাহজাহান মিয়া, অ্যাডভোকেট আহাদ জুয়েল, লিয়াকত আলী, আলী শেরওয়ান রিপন, মঈনুল ইসলাম, আনোয়ার আলম, মোজাহিদুল ইসলাম শিপলু, সৈয়দ মোহাদ্দিস, বাহাউদ্দীন শাহী, মনসুর আহমদ, ওমর ফারুক, সামসুর রহমান, আহমেদ হুমামুন রশিদ, ছাদিকুর রহমান চৌধুরী, আবুল কাশেম দুলু, অ্যাড. দীপংকর বণিক সুজিত, মোশারফ হোসেন, মহিম উদ্দিন, নুর জালাল মন্টি, অ্যাড. আতিকুর রহমান, সাইফুল ইসলাম আতাহার চৌধুরী শাহীন, মামুন বিল্লা, আতহাব চৌধুরী হাসান, আসাদুজ্জামান সাগরসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আলফাত স্কয়ারে গিয়ে পথসভায় মিলিত হয়।