ছবি: সংগৃহিত।
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন বার্তা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তাদের আয়োজিত প্রথম জাতীয় সমাবেশে বিএনপিসহ সব ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দল ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার এবং সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতের দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশ একটি যৌথ রাজনৈতিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ হবে।
বিএনপির মিডিয়া সেল জামায়াতের আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে দলটির লিয়াজো কমিটির কয়েকজন শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, এখনো তারা সমাবেশে যোগ দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। কেউ কেউ অংশ না নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।
জামায়াত সূত্র জানায়, সমাবেশে বড় পরিসরে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩০০ জনের আসনের মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪ বছরে জামায়াত নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এখন কথা বলার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, এটাই আমাদের বড় সুযোগ।’
তিনি আরও জানান, ‘আমরা চাই জাতীয় সমাবেশে আমাদের অবস্থান জনগণের সামনে তুলে ধরতে। এজন্য সব মত ও পথের ফ্যাসিবাদবিরোধী দলকে আমরা আলোচনার মঞ্চে আহ্বান জানিয়েছি।’
জামায়াতের ঘোষিত দাবির মধ্যে রয়েছে, সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, অতীতের সব গণহত্যার বিচার, ‘জুলাই সনদ’ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত, নির্বাচনে আনুপাতিক পদ্ধতি চালু, মৌলিক কাঠামোগত সংস্কার, অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, দলটি আশা করছে, এই সমাবেশ রাজনৈতিক সংস্কারে একটি নতুন পথ দেখাবে।