ছবি: সংগৃহিত।
দেশের ৭০টি কারাগারে ধারণক্ষমতা ৪২ হাজার ৮৮৭ হলেও বর্তমানে বন্দী রয়েছেন ৭৭ হাজার ২৯১ জন-যা ধারণক্ষমতার প্রায় দেড় গুণ।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও অন্যান্য মামলায় ব্যাপক গ্রেপ্তারের কারণে এ সংখ্যা বেড়েছে।
অভ্যুত্থান-পূর্বে (৪ আগস্ট ২০২৪) বন্দীর সংখ্যা ছিল ৮৮ হাজার, যা সরকার পতনের পর ১২ আগস্টে কমে দাঁড়ায় ৪৯ হাজারে। এরপর আবার বাড়তে শুরু করে।
বর্তমানে কারাগারগুলোতে সত্তরোর্ধ্ব বন্দী: অন্তত ৩৫০ জন, নারী বন্দী: আড়াই হাজার, শিশু: ২০০ জনের বেশি, যারা মায়েদের সঙ্গে আছে, গ্রেপ্তারকৃত বিশিষ্টজনদের মধ্যে রয়েছেন, সাবেক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী: ৩২ জন, সংসদ সদস্য: ৪৭ জন, পুলিশ সদস্য: ৬২ জন, আমলা: ২৮ জন, সাংবাদিক: ৭ জন, ব্যবসায়ী: ৩ জন, তাঁদের মধ্যে ১৫৩ জন ডিভিশনপ্রাপ্ত।
কারাগারে থাকা উল্লেখযোগ্য এক প্রবীণ হলেন সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম (৮০), যিনি হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন এবং অসুস্থ অবস্থায় আছেন।
কারা অধিদপ্তর বলছে, বন্দীর চাপ কমাতে নতুন ৫টি কারাগার চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে দুটি ইতিমধ্যে চালু হয়েছে-কেরানীগঞ্জের ‘বিশেষ মহিলা কারাগার’ এবং সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার ২।
পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এপ্রিল-জুন (২০২৫) পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার মানুষ। মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।