ছবি: সংগৃহিত।
রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ শীর্ষক সমাবেশ করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সমাবেশের মূল লক্ষ্য-দেশ পুনর্গঠনের বার্তা তুলে ধরা ও একটি নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা উপস্থাপন।
সমাবেশস্থলে ইতোমধ্যে উপস্থিত হয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিলসহ আসছেন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে, যেখানে তারা স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তুলেছেন পরিবেশ। উপস্থিত রয়েছেন জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারের সদস্য ও আহতরা, যারা আজকের কর্মসূচিকে দেখছেন পরিবর্তনের এক সম্ভাবনার বার্তা হিসেবে।
সমাবেশে ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সমাবেশ ঘিরে এরই মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে পুরো এলাকাজুড়ে।
সমাবেশস্থলে মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে টিএসসির দিকমুখী করে। শহীদ মিনারের সামনের অংশে নেতাকর্মীদের বসার জন্য লাল কার্পেট বিছানো হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে ডিজিটাল পর্দা, যেখানে জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের বিভিন্ন ঘটনা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট প্রদর্শন করা হচ্ছে।
দুপুর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা সমবেত হতে শুরু করেন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুপুর ২টার দিকে পুলিশ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করে। সমাবেশস্থলে তিন শতাধিক এনসিপি নেতাকর্মীও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন বলে জানান বংশাল থানার এনসিপি সংগঠক শাকিল।
এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য রফিকুল ইসলাম কনক রফিকুল ইসলাম কনক বলেন, ‘সম্প্রতি গোপালগঞ্জে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। এছাড়াও আশপাশেই ছাত্রদলের সমাবেশ থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থানে থাকতে হয়েছে।’
সমাবেশে বক্তব্য দেবেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ ঘোষণা করবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।