প্রকাশিত : ০৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:৪০ (মঙ্গলবার)
ঢাবির হলে রাজনীতি নিষিদ্ধ, প্রক্টরের আশ্বাসে থামল বিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক হলে প্রকাশ্য ও গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকবে বলে প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ ঘোষণা করেছেন। গত বছরের ১৭ জুলাই হল প্রভোস্টের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। শুক্রবার (৮ আগস্ট) গভীর রাতে হলগুলোতে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি এই আশ্বাস দেন।

গতকাল সকালে ঢাবির ১৮টি হলে ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়, যা নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়। প্রতিবাদে ছাত্ররা মধ্যরাতের পর বিভিন্ন হলে বিক্ষোভ মিছিল করে। রোকেয়া ও শামসুন নাহার হলের ছাত্রীরাও ফটকের তালা ভেঙে বিক্ষোভে যোগ দেন। রাত একটার দিকে রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমাবেশ শেষে তারা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন।

রাত দুইটায় উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান ও প্রক্টর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক ঘণ্টার আলোচনা করেন। উপাচার্য জানান, ‘হল পর্যায়ে ছাত্ররাজনীতির বিষয়ে ২০২৪ সালের ১৭ জুলাইয়ের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে’ এবং ‘হল পর্যায়ে ছাত্ররাজনীতি নিয়ন্ত্রিত থাকবে।’

তবে শিক্ষার্থীরা এই ঘোষণা মানতে অস্বীকার করে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার দাবি জানান। তারা হলগুলোতে শিবিরের গুপ্ত কমিটি ও ছাত্রদল কমিটির সদস্যদের শাস্তিরও দাবি করেন।

শেষ পর্যন্ত প্রক্টর স্পষ্ট ঘোষণা দেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে প্রকাশ্য ও গুপ্ত রাজনীতি উভয়ই নিষিদ্ধ থাকবে। এ ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা হাততালি দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং ‘এই মুহূর্তে খবর এল, হল পলিটিকস নিষিদ্ধ হলো’ স্লোগান দেন। রাত তিনটায় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলে ফিরে যান।