ছবি: সংগৃহীত।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও মধ্যনগর এলাকায় খনিজ বালি চুরির অভিযোগে পুলিশ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় চুরিকৃত বালু ও ট্রলারসহ আনুমানিক ২১ লাখ টাকার মালামাল জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন-তাহিরপুর সীমান্তের কলাগাঁও গ্রামের শাহানুর, বাগলী রতনপুর গ্রামের তফসির হোসেন, নেকবর আলী, সম্রাট হোসেন, মফিজ আলী, মুক্তার আলী, কাউছার এবং সহদোর শহর আলী। এর মধ্যে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরকে সুনামগঞ্জে এবং বাকি ৭ জনকে সোমবার বিকেলে ধর্মপাশা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মধ্যনগর থানার ওসি মনিবুর রহমান জানান, সোমবার সম্পদপুর গ্রাম সংলগ্ন ইজারাবিহীন খাল থেকে খনিজ বালি সরিয়ে নেওয়ার সময় পুলিশ তাদের আটক করে।
এদিকে, কয়েকদিন বিরতির পর ফের শুরু হয়েছে তাহিরপুরের কলাগাঁও সীমান্তের ছড়া নদীতে অবৈধ বালি উত্তোলন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন রাতভর শতাধিক ট্রলারে কোটি টাকার বেশি মূল্যের বালি চুরি হলেও থানা পুলিশ, ট্যাকেরঘাট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প এবং উপজেলা প্রশাসন বালি চুরি ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
অভিযোগ রয়েছে, কলাগাঁও, চারাগাঁও ও জঙ্গলবাড়ি এলাকার ১০-১২ জনের একটি চক্র প্রতিটি বালিবোঝাই ট্রলার থেকে ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে থানা পুলিশ, ট্যাকেরঘাট পুলিশ ক্যাম্প, স্থানীয় বিজিবি ও উপজেলা প্রশাসনের নামে। এমনকি তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির এক সদস্যের প্রভাবেও এই চক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। এতে মামলা ও পুলিশি হয়রানির ভয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
তবে ট্যাকেরঘাট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই পংকজ দাশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের কোনো সদস্য এ ধরনের চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়।