শিরোনাম
সিলেটে এক সিএনজি চালকের ছু/রিকাঘা/তে আরেক চালক খু/ন সিলেটে স্কুল ছাত্রীর মায়ের মাম/লায় গ্রে/প্তার ‘প্রেমিক’ সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের জালে ৩০ জন পুতিন-ট্রাম্প-শি’র ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা বাংলাদেশিদের অবৈধ পথে ইউরোপযাত্রা ঠেকাতে ঢাকার সহযোগিতা চায় গ্রিস সৌদি আরবে ১০ মাসে ১৮৮ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, সবচেয়ে বেশি মাদক মামলায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে তিন জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ‘গুজব’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ, সেই অ/স্ত্র নিয়ে মুখ খুললেন ইশরাক সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফ/তার ২৭ সিলেটের মহালক্ষ্মীপীঠ ও হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত, আজ মহাঅষ্টমী

https://www.emjanews.com/

9825

national

প্রকাশিত

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:৫২

আপডেট

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০০:৫০

জাতীয়

পিআর পদ্ধতি সম্পর্কে জানেন না ৫৬ শতাংশ ভোটার

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:৫২

ছবি: সংগৃহীত।

আগামী বছরের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য ভোটারদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ দেখা গেছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইনোভেশন কনসাল্টিং-এর ‘জনগণের নির্বাচন ভাবনা’ দ্বিতীয় দফার প্রথম পর্বের জরিপে দেখা গেছে, ৯৪.৩ শতাংশ উত্তরদাতা ভোট দিতে আগ্রহী। তবে সংসদের আনুপাতিক প্রতিনিধি (পিআর) পদ্ধতি সম্পর্কে ৫৬ শতাংশ উত্তরদাতার কোনো ধারণা নেই।

জরিপ পরিচালনা করেন ইনোভেশন কনসাল্টিং-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবাইয়াত সারোয়ার। এটি ২ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজধানী ঢাকায় সম্পন্ন হয়, যেখানে ১০,৪১৩ জন ভোটার অংশগ্রহণ করেন।

ফলাফল থেকে জানা গেছে:

আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন ৮৬.৫ শতাংশ উত্তরদাতা।

৬৯.৯ শতাংশ মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকার একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম হবে।

৭৭.৫ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন, তারা নিরাপদভাবে ভোট দিতে পারবেন।

তবে ৫৬ শতাংশ ভোটার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং গত ছয় মাসে চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

জরিপে দেখা গেছে, পিআর পদ্ধতি সম্পর্কে নবীন প্রজন্ম প্রবীণ প্রজন্মের তুলনায় বেশি সচেতন ও ইতিবাচক মনোভাবের। তবে ভোটের সময় পুলিশ ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতার বিষয়ে জেন-জি প্রজন্ম কম আশাবাদী।

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন ৭৮.৭ শতাংশ উত্তরদাতা। কিন্তু উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে সন্তুষ্টির হার তুলনামূলক কম। ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোও অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতার বিষয়ে তুলনামূলকভাবে কম ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা ভোটে আগ্রহ কম দেখিয়েছেন এবং নির্বাচনের সময় নিয়ে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন। এছাড়া তারা মনে করেন, চাঁদাবাজি বেড়েছে।