https://www.emjanews.com/

15440

national

প্রকাশিত

০৪ মে ২০২৬ ২০:৫১

জাতীয়

নেভি ব্লু শার্ট বহাল, খাকি প্যান্টে ফিরছে পুলিশ

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬ ২০:৫১

ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুলিশ বাহিনীর পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন ইউনিফর্মে পুলিশের ওপরের অংশে আগের নেভি ব্লু শার্ট বহাল রাখা হলেও নিচের অংশে খাকি প্যান্ট যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (৪ মে) দুপুরে সচিবালয়ে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির প্রথম সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ব্যবহৃত পোশাক নিয়ে পুলিশ সদস্য ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্তুষ্টি নেই। এই পোশাকটি ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়নি এবং মানানসই নয় বলেই পুলিশ বাহিনীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেছে।

তিনি বলেন, ‘একটি ঐতিহ্যবাহী ও গ্রহণযোগ্য পোশাক দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আগের নেভি ব্লু শার্ট বহাল রাখা হয়েছে, তবে প্যান্টে খাকি রং নির্ধারণ করা হয়েছে।’

নতুন পোশাক বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, কাপড় প্রস্তুত, ইউনিফর্ম তৈরি ও সরবরাহের মতো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় প্রয়োজন।

এর আগে গত মাসে দুই দফায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পুলিশের পক্ষ থেকে পাঁচ ধরনের নতুন পোশাকের নমুনা উপস্থাপন করা হয়। প্রস্তাবিত রঙের মধ্যে ছিল খাকি শার্ট-নেভি ব্লু প্যান্ট, খাকি শার্ট-খাকি প্যান্ট, আগের নেভি ব্লু শার্ট-প্যান্ট, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুমোদিত আয়রন রঙের পোশাক এবং আকাশি শার্ট-নেভি ব্লু প্যান্ট। এর মধ্য থেকে সরকার নেভি ব্লু শার্ট ও খাকি প্যান্টের সমন্বয় চূড়ান্ত করেছে।

পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক বদলি ও বাধ্যতামূলক অবসর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এগুলো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ। নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা ও অবসর সবই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ১ মে থেকে সারা দেশে মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। এ অভিযানে পুলিশ, র‍্যাব, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা একযোগে কাজ করছে। মাদক সিন্ডিকেট ও সীমান্ত চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।