https://www.emjanews.com/

19679

politics

প্রকাশিত

১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:৪৬

রাজনীতি

জামায়াতের দীর্ঘ ৩০ বছরের পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:৪৬

ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় সংগঠনটির দীর্ঘদিনের পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মহানগর জামায়াতের নতুন তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তে এ কমিটি বিলুপ্ত করা হয় বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির পদকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি সংগঠনটির দুই প্রভাবশালী পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘাতের সৃষ্টি হয়। সাবেক নায়েবে আমির অধ্যাপক একেএম এমদাদুল হক মামুন এবং সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সংগঠনের ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়।

সংঘাতের পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার নির্ধারিত মহানগর জামায়াতের আমির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনায় শুক্রবার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পুরোনো মহানগর কমিটি বিলুপ্ত করার পাশাপাশি সাময়িকভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব মাওলানা আব্দুল হালিমকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি ঘটনার কারণ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো অনুসন্ধান করে কেন্দ্রীয় সংগঠনের কাছে প্রতিবেদন দেবে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মহানগর কমিটি বিলুপ্ত হলেও এর আওতাধীন অঞ্চল, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও ইউনিট পর্যায়ের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে। নতুন তত্ত্বাবধায়ক মহানগরের সার্বিক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন এবং নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে কাজ করবেন।

কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সাবেক সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেল কমিটি বিলুপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কেন্দ্রীয় পরিষদ মহানগর কমিটি বিলুপ্ত করেছে। মাওলানা আব্দুল হালিমকে তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

তদন্তের ফলাফল এবং নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।