শিরোনাম
সিলেটের সাবেক ২ ডিসিসহ ৩২ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে সিলেটে গরমে হাঁসফাঁস: বৃষ্টি নিয়ে সুখবর সিলেটে একদিনে ২ লা/শ: নেপথ্যে খেলা-জমির আধিপত্য মামলা করবো না, বাংলাদেশের মানুষ প্রতিবাদে জবাব দিয়েছেন- বিউটি পাল সিলেটের সাবেক এডিসি এ জেড এম নুরুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে ২০১৮ সালের ‘বিতর্কিত’ নির্বাচন: ৩২ কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানোর প্রজ্ঞাপন বাংলাদেশিসহ প্রত্যাখ্যাত আশ্রয়প্রার্থীদের তৃতীয় কোনো দেশে রাখতে চায় ইউরোপের ৫ দেশ হাওর ও দুর্গম অঞ্চলের শিক্ষায় বিশেষ পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার শ্রমবাজার ইস্যুতে আলোচনায় মালয়েশিয়া আসছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি, সিলেটে ৭ জন

https://www.emjanews.com/

9792

opinion

প্রকাশিত

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩:১৯

আপডেট

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩:২২

মতামত

 সাদাপাথরে বালু-পাথর লুট রোধে কার্যকর তদারকি জরুরি

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩:১৯

ছবি: সংগৃহীত।

সিলেটের সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র শুধু প্রকৃতিক সৌন্দর্যই নয়, এখানকার নদী, পাহাড়ি ল্যান্ডস্কেপ ও নৌকা ভ্রমণ দেশের পর্যটন খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসন ও কোম্পানীগঞ্জ থানা এই এলাকায় পর্যটকবাহী নৌকা ছাড়া সব নৌকা চলাচল নিষিদ্ধ করেছে। মূল লক্ষ্য হলো দীর্ঘদিন ধরে চলমান বালু ও পাথর লুট রোধ করা।

নিষেধাজ্ঞা জরুরি ও সময়োপযোগী। এটি নিশ্চিত করবে যে পর্যটকরা নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ পরিবেশে ভ্রমণ করতে পারবেন এবং নদীর প্রকৃতিক ভারসাম্যও রক্ষা পাবে। কিন্তু শুধু আইন জারি করলেই কাজ শেষ নয়। নিয়মিত তদারকি, নদী পাড়ে নজরদারি, স্থানীয়দের সচেতনতা এবং লুটের ঘটনায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া ছাড়া এই পদক্ষেপ কার্যকর হবে না।

ছোট ও মাঝারি নৌকা মালিকদেরও এই নিষেধাজ্ঞা বোঝানো জরুরি। প্রশাসন যদি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে গাফিলতি করে, তাহলে বালু-পাথর লুট অব্যাহত থাকবে এবং পর্যটন শিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি, স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় করে নদীতে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

সর্বোপরি, সাদাপাথরে নতুন নির্দেশনা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, কিন্তু তার সাফল্য নির্ভর করছে কার্যকর তদারকি ও সকলের সহযোগিতার ওপর। প্রশাসন যদি নিয়মিত নজরদারি চালিয়ে এবং স্থানীয়দের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, তবে এই পদক্ষেপ কেবল বালু-পাথর লুট রোধে নয়, পর্যটন খাতের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারবে।