শিরোনাম
সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ প্রদান দেশের সরকারি হাসপাতালে দালাল ঠেকাতে ৭ নির্দেশনা পরিত্যক্ত সরকারি ভবনকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রূপান্তরের নির্দেশ সিসিকের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রশাসক সিলেটের এসপিসহ দেশের ১০ উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার বদলি সিলেটে ধরা পড়লো ১০ লাখ ব্যাটারির চালান: আ ট ক ২ যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটসহ ৬ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট সরকারি ওয়েবসাইটে নেই ইউনূসের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ গেজেট তিন মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব

https://www.emjanews.com/

13144

surplus

প্রকাশিত

১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ২০:৫৫

আপডেট

১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ২১:০৮

অন্যান্য

রাশিয়া থেকে ফেরত ৩৫ বাংলাদেশি কর্মী

প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ২০:৫৫

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়া থেকে ৩৫ জন বাংলাদেশি কর্মী দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আজ বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে কাতার এয়ারওয়েজের কিউআর-৬৩৮ নম্বর ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)-এর ছাড়পত্রের মাধ্যমে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সি কাশিপুর ওভারসিজ (রিক্রুটিং লাইসেন্স নং-আরএল-১৩১৭) এই কর্মীদের রাশিয়ায় পাঠায়।

ফেরত আসা কর্মীরা জানান, রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তারা নিয়মিতভাবে কাজ শুরু করলেও কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়া নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান তাদের চাকরি বাতিল করে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এতে কর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে মোট ১২০ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে পর্যায়ক্রমে চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ প্রথম ধাপে ৩৫ জন কর্মী দেশে ফিরছেন।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ব্যবস্থাপক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টিআইপি হিরো অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত আল-আমিন নয়ন বলেন, ‘বিদেশে কর্মী পাঠানোর পর তাদের চাকরির নিরাপত্তা এবং চুক্তির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা রিক্রুটিং এজেন্সি ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত করা স্পষ্টভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। এ ধরনের ঘটনায় দায়ী পক্ষের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।’

ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি, বিএমইটি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ভুক্তভোগী কর্মীরা তাদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।