শিরোনাম
সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ প্রদান দেশের সরকারি হাসপাতালে দালাল ঠেকাতে ৭ নির্দেশনা পরিত্যক্ত সরকারি ভবনকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রূপান্তরের নির্দেশ সিসিকের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রশাসক সিলেটের এসপিসহ দেশের ১০ উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার বদলি সিলেটে ধরা পড়লো ১০ লাখ ব্যাটারির চালান: আ ট ক ২ যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটসহ ৬ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট সরকারি ওয়েবসাইটে নেই ইউনূসের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ গেজেট তিন মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব

https://www.emjanews.com/

13180

surplus

প্রকাশিত

১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ২১:৫৮

অন্যান্য

পোস্টাল ব্যালটে জট, সচেতনতার ঘাটতি: প্রবাসী ভোট নিয়ে প্রশ্নের মুখে ব্যবস্থাপনা

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ২১:৫৮

ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের উদ্দেশে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যেসব প্রবাসী ভোটার পোস্টাল ভোটে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করেছেন কিন্তু এখনো ব্যালট পাননি, তারা যেন দ্রুত নিকটস্থ পোস লাজু অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পোস্টাল ব্যালট সংগ্রহ করেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রকাশিত বিবৃতিতে হাইকমিশন জানায়, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পোস্টাল ব্যালট বর্তমানে সংশ্লিষ্ট প্রাপকের ঠিকানার নিকটবর্তী পোস লাজু অফিসে সংরক্ষিত রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের দেওয়া ঠিকানা অসম্পূর্ণ বা অস্পষ্ট হওয়ায় এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রাপকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় সরাসরি ব্যালট বিতরণে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যালট পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

এই পরিস্থিতিতে, যেসব প্রবাসী ভোটার এখনো ব্যালট হাতে পাননি, তাদের দ্রুত নিজ নিজ নিকটস্থ পোস লাজু অফিসে খোঁজ নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। সময়মতো ব্যালট সংগ্রহ ও পাঠানো না গেলে ভোটাধিকার প্রয়োগ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়।

এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভুল বা অসম্পূর্ণ ঠিকানার কারণে মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ৪ হাজার পোস্টাল ব্যালট ফেরত এসেছে, যা পুরো প্রক্রিয়াকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

এ প্রসঙ্গে প্রযুক্তি পেশাজীবী ও ইয়ুথ হাব মালয়েশিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা পাভেল সারওয়ার বলেন, ‘প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটে প্রবাসীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে নিবন্ধনের সময় ব্যাপক ফটো সেশন ও প্রচারণা দেখা গেলেও ব্যালট সংগ্রহের পদ্ধতি, ব্যালট পাওয়ার পর করণীয় কিংবা সময়সীমা- এসব বিষয়ে কার্যকর সচেতনতামূলক উদ্যোগ চোখে পড়েনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দিনশেষে সব দায় প্রবাসীদের ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে- ঠিকানা ভুল দেওয়া হয়েছে বা ফোন ধরা হয়নি। অথচ বাস্তবে অনেকেই কোনো কলই পাননি। পোস্ট অফিসের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন, তাদের গাফিলতি এখানে স্পষ্ট।’

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, কয়েকজন প্রবাসী ইতোমধ্যে আগের অভিজ্ঞতার কারণে ব্যালট পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে দাবি করলেও, ভোট প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাপ বা সিস্টেম এখনো চালু হয়নি, যা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে ২১ জানুয়ারির পর সক্রিয় হওয়ার কথা।

সব মিলিয়ে, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে উদ্যোগটি ইতিবাচক হলেও বাস্তবায়নের দুর্বলতা ও সমন্বয়হীনতা পোস্টাল ভোট ব্যবস্থাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।