শিরোনাম
সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ প্রদান দেশের সরকারি হাসপাতালে দালাল ঠেকাতে ৭ নির্দেশনা পরিত্যক্ত সরকারি ভবনকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রূপান্তরের নির্দেশ সিসিকের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রশাসক সিলেটের এসপিসহ দেশের ১০ উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার বদলি সিলেটে ধরা পড়লো ১০ লাখ ব্যাটারির চালান: আ ট ক ২ যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটসহ ৬ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট সরকারি ওয়েবসাইটে নেই ইউনূসের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ গেজেট তিন মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব

https://www.emjanews.com/

13261

surplus

প্রকাশিত

২২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৯:১০

অন্যান্য

অভিবাসী পাচারের ‘সেফ হাউস’ কুয়ালালামপুরে সাত বাংলাদেশি আটক

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৯:১০

ছবি: আহমাদুল কবির।

অবৈধভাবে অভিবাসী পাচারের কাজে ব্যবহৃত একটি ‘সেফ হাউস’ থেকে সাত বাংলাদিশিকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। রাজধানীর তামান মালুরি এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) পরিচালিত ওই অভিযানে একটি সার্ভিসড অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পাঁচজন পুরুষকে আটক করা হয়, যাদের বয়স ২৭ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। তারা সবাই পাচার হয়ে আসা অভিবাসী বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া আরও দুইজনকে আটক করা হয়েছে, যাদের বয়স যথাক্রমে ৫৬ ও ২৮ বছর। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এদের একজন ‘সেফ হাউস’-এর তত্ত্বাবধায়ক বা ব্যবস্থাপক এবং অপরজন পাচারচক্রের পরিবহন (ট্রান্সপোর্টার) হিসেবে কাজ করছিল।

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জানান, আটক অভিবাসীদের পাসপোর্ট পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেগুলোতে মালয়েশিয়ায় বৈধভাবে প্রবেশের কোনো অনুমোদিত সিল বা প্রবেশের ছাপ নেই। ধারণা করা হচ্ছে, তারা কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথ বা তথাকথিত ‘ইঁদুরপথ’ ব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছে।

তিনি আরও বলেন, “গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, আটক অভিবাসীদের সঙ্গে ‘সিন্ডিকেট ইকবাল’-এর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সম্প্রতি কেলান্তানে এই চক্রের বিরুদ্ধে সফল অভিযান চালিয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগ।
তদন্তে উঠে এসেছে, পাচারচক্রটি মূলত স্থলপথ ব্যবহার করে অভিবাসী পাচারের কাজ চালিয়ে আসছিল। তামান মালুরির ওই অ্যাপার্টমেন্টটি পূর্ব উপকূল দিয়ে সদ্য প্রবেশ করা অভিবাসীদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র বা ‘সেফ হাউস’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে তাদের মালয়েশিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হতো।”

আটক সবাইকে পরবর্তী তদন্তের জন্য পুত্রজায়ায় ইমিগ্রেশন বিভাগের সদর দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মানব পাচার ও অভিবাসী পাচারবিরোধী আইন ২০০৭ (এটিপিসম আইন ৬৭০) এবং ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫)-এর আওতায় তদন্ত চলছে

দাতুক জাকারিয়া শাবান জোর দিয়ে বলেন, ‘অবৈধ অভিবাসী পাচার ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন বিভাগ কোনো আপস ছাড়াই কাজ করে যাবে। যারা অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়, নিয়োগ বা সহায়তা দেবে-চক্র, নিয়োগকর্তা কিংবা সম্পত্তির মালিক-সবার বিরুদ্ধেই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।