ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ভোট উৎসব পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সংস্থা আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। এর মধ্যে বেসরকারি সংস্থা পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা) নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ১০ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা করেছিল। তবে ভোটের মাত্র চার দিন আগে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদের বরাত দিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
এর আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে এই বিষয়টি আলোচিত হয়। ওই সভায় নির্বাচন কমিশন সচিবও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আবুল কালাম আজাদ বলেন, “‘পাশা’ নামে একটি এনজিও ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগের কথা জানিয়েছিল। নির্বাচন কমিশন তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেয়। তবে যাচাই-বাছাই করে তাদের সক্ষমতা সম্পর্কে কমিশন নিশ্চিত হতে পারেনি। সে কারণে তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড বিতরণ স্থগিত করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সংস্থাটির বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। তবে এ পর্যন্ত তাদের কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এর আগে শুক্রবার একটি জাতীয় দৈনিকে পাশার সক্ষমতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরই নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের কথা সরকারিভাবে জানানো হলো।
নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর সক্ষমতা যাচাই করেই অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
