https://www.emjanews.com/

13653

national

প্রকাশিত

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২২:২৩

জাতীয়

এবার রোজা সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ ঘণ্টা

প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২২:২৩

ছবি: সংগৃহীত

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান আসন্ন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৮ অথবা ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস শুরু হতে পারে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাবে এ বছর রোজার সময় সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনা অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রমজান শুরুর তারিখ একদিন এদিক-ওদিক হতে পারে। চাঁদ দেখা ও বৈজ্ঞানিক হিসাবের পার্থক্যের কারণে কোনো কোনো দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং অন্য দেশগুলোতে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, মাসের শুরু নিয়ে মতভেদ থাকলেও রমজানের শেষ ও শাওয়াল মাসের শুরু, অর্থাৎ ঈদুল ফিতর অধিকাংশ মুসলিম দেশে একই সময়ে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী এ বছর রমজান ২৯ দিনের হতে পারে এবং সম্ভাব্যভাবে গণনা শুরু হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে। এ মাসে রোজার সময় সর্বোচ্চ প্রায় ১৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে।’

আল জারওয়ান আরও জানান, হিজরি ১৪৪৭ সালের রমজানের চাঁদ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা ১ মিনিটে (আমিরাত সময়) জন্ম নেবে। তবে ওই দিন সূর্যাস্তের মাত্র এক মিনিট পর চাঁদ অস্ত যাবে। ফলে খালি চোখে চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব হবে।

১৮ ফেব্রুয়ারি সূর্যাস্তের পর চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ১৯ ফেব্রুয়ারি হবে রমজানের প্রথম দিন। তখন ১৯ মার্চ রমজান শেষ হবে এবং ২০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

আবুধাবিতে রমজানের শুরুতে রোজার সময় হবে প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট। মাসের শেষ দিকে তা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ১৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিটে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে রোজার সময়ের কিছু পার্থক্য দেখা যাবে। যেমন, খোরফাক্কান ও পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চল আবুধাবির তুলনায় প্রায় ৮ মিনিট আগে সেহরি ও ইফতার করবে এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় আল সিলা প্রায় ১২ মিনিট পিছিয়ে থাকবে। ফলে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে সেহরি ও ইফতারের সময়ের পার্থক্য সর্বোচ্চ ২০ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই চূড়ান্তভাবে রমজান শুরুর তারিখ নির্ধারিত হবে।