চুনারুঘাটে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজ শিক্ষকদের শিক্ষা-সংস্কৃতি ভ্রমণ
প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬ ১৯:০৮
ছবি: মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের শিক্ষকবৃন্দ শনিবার (২৮ মার্চ) চুনারুঘাটে দিনব্যাপী শিক্ষা ও সংস্কৃতি ভ্রমণ সম্পন্ন করেছেন। এ সফরে তারা প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য অভিজ্ঞতা লাভ করেন।
ভ্রমণের শুরুতে শিক্ষকবৃন্দ সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন এবং সেখানে বসবাসরত ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে মধ্যাহ্নভোজন শেষে চন্ডীছড়া চা বাগানে এক চা চক্রে অংশ নেন।
এরপর তারা পদক্ষেপ গণ পাঠাগারের আয়োজনে এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন পাঠাগারের সভাপতি মোস্তফা মোরশেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আতাউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজ গভর্নিং বডি সদস্য উস্তার মিয়া, সহকারী অধ্যাপক নাজমুল হোসেন, নাজমা বানু, ইন্দ্রজিৎ রায়, জয়ন্ত দেবনাথ, মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম ও হেলাল খান।
পাঠাগারের পক্ষ থেকে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার প্রদান করেন হুমায়ুন কবির মিলন, হুমায়ুন কবির চৌধুরী, সোহেল আহমেদ, আনোয়ার হোসেন বিপ্লব, ফাহমিদা আলম পপি, এসএম মিজান, রূপুদেব ও রোমান তালুকদার।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক চম্পা কলি রায়, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মালেক, গোলাপ মিয়া, প্রভাষক সৈয়দ আতিকুজ্জামান, সাফায়েত উল্লাহ, আখতার হোসেন, সমরেশ কুমার দাস রায়, সুরজিৎ কুমার দেব, ফায়সাল আহাম্মেদ, জহরলাল চক্রবর্তী, মিনহাজুল আবেদিন, তাহিয়া খন্দকার, উর্মি চৌধুরী, রিজন মিয়া, সুবীর মন্ডল, খায়রুল আনাম, কম্পিউটার অপারেটর তোফায়েল বেগ, অফিস সহকারী সাদেক চৌধুরীসহ অন্যান্য শিক্ষা কর্মীবৃন্দ।

শিক্ষকবৃন্দ চুনারুঘাটবাসীর উষ্ণ অভ্যর্থনায় মুগ্ধতা প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রকৃতি ও সংস্কৃতি আমাদের মুগ্ধ করেছে এবং পদক্ষেপ গণ পাঠাগারের এ আয়োজন আমাদের সম্মানিত করেছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান আমাদের অনুপ্রাণিত করে। পাঠাগারের যেকোন প্রয়োজনে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজ পাশে থাকবে।’
অনুষ্ঠান শেষে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শিক্ষকবৃন্দ সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের বাসভবনে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি ভবন পরিদর্শন করেন।
সফরের শেষ পর্বে তারা ঐতিহাসিক মুড়ারবন্দ মাজার জিয়ারত শেষে প্রশান্তি ও একরাশ মুগ্ধতা নিয়ে কুলাউড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
