https://www.emjanews.com/

14867

national

প্রকাশিত

০৯ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২৯

জাতীয়

সিলেটসহ সারাদেশে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষের নির্দেশ

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২৯

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটসহ দেশব্যাপী পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপনের সব অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

নির্দেশনা অনুযায়ী, পহেলা বৈশাখে রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবর-এ বিকেল পাঁচটার মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ বন্ধ করতে হবে এবং সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে সব অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে।

বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ আয়োজিত ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’কে ঘিরে থাকবে বাড়তি নজরদারি। শোভাযাত্রায় মুখোশ পরে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তবে হাতে বহন করা যাবে।

নিরাপত্তার স্বার্থে দেশব্যাপী ফানুস ওড়ানো, আতশবাজি ফাটানো, গ্যাস বেলুন ও ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেল ও কার রেসিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হবে এবং ওয়াচ টাওয়ার, সিসিটিভি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে স্থাপন করা হবে। ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার রোধে সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

সব বড় অনুষ্ঠানস্থলে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল টিম মোতায়েন থাকবে। রমনা লেক এলাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে ডুবুরি দলও প্রস্তুত থাকবে।

এছাড়া পহেলা বৈশাখের দিন ঢাকা মেট্রোরেল-এর টিএসসি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা সাতটার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্টিকারবিহীন কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না।

সাধারণ মানুষকে ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, দেশলাই বা লাইটার বহন না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। শিশুদের সঙ্গে পরিচয়সংবলিত নোট রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

এদিন রমনা পার্ক এলাকায় একটি ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, যাতে কেউ হারিয়ে গেলে দ্রুত সেখানে যোগাযোগ করা যায়।

সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।