ছবি: সংগৃহীত
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে আছেন মাহমুদুর রহমান। ৪৭টি কেন্দ্রের ফল অনুযায়ী তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৪ ভোট।
এ আসনে মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ১৭ হাজার ৫৯৬ ভোট এবং মিজানুর রহমান পেয়েছেন ১৪২ ভোট। মোট কেন্দ্র ১২৮টি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। পরে তাঁর ছোট ভাই মাসুদুর রহমানকে প্রার্থী করে জামায়াতে ইসলামী।
ভোট বর্জন প্রসঙ্গে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে জামায়াত প্রার্থী দুপুরের পর থেকেই তাদের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা বাধা দিলেও তারা কেন্দ্র ত্যাগ করেন।’ পরে বেলা সোয়া তিনটার দিকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়, যা পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মাসুদুর রহমান নির্বাচনকে ‘প্রহসনমূলক’ আখ্যা দিয়ে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট, বুথ দখল, এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং হামলার অভিযোগ তোলেন। হামলায় তাদের এক কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলেও জানান তিনি।
জামায়াতের অভিযোগের জবাবে বিএনপির প্রার্থী বলেন, ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করতে গিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা পুলিশের সঙ্গে হট্টগোলে জড়িয়ে পড়েন এবং সেখানেই আহত হন।
