শিরোনাম
এমসি কলেজের নতুন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ তোফায়েল আহাম্মদ বুধবার সিলেটের ১০ পয়েন্টে বিক্রি হবে টিসিবির পণ্য ১১ বছর পর নতুন পে স্কেল, ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়নের ঘোষণা সিলেটে স্পেশাল এবিলিটি সামিট অনুষ্ঠিত  ‘ভিসা প্রাপ্তির’ ভুয়া বিজ্ঞাপন নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর অ্যামেক্সে ভোক্তভোগীদের ভিড়, টাকা ফেরতের দাবি সিলেটে হাম উপসর্গে প্রাণ গেলো আরো ৩ শিশুর সিলেটে ‘ভিসা প্রাপ্তির’ ভুয়া বিজ্ঞাপন: প্রতারণার নতুন ফাঁদ সারাদেশে শুরু হচ্ছে ভূমিসেবা মেলা, থাকছে অনলাইন সেবার সুযোগ ৩ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল এডিপি, শিক্ষা–স্বাস্থ্য খাতে অগ্রাধিকার ঈদের সময় সিলেটে ভারি বৃষ্টিপাত ও ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

https://www.emjanews.com/

15789

surplus

প্রকাশিত

১৯ মে ২০২৬ ২৩:২৬

অন্যান্য

এমসি কলেজের নতুন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ তোফায়েল আহাম্মদ

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬ ২৩:২৬

ছবি: অধ্যাপক মোহাম্মদ তোফায়েল আহাম্মদ

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ তোফায়েল আহাম্মদ।

সোমবার (১৮ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে অধ্যাপক মোহাম্মদ তোফায়েল আহাম্মদকে এমসি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

এর আগে তিনি মৌলভীবাজারের বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ১৬তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা।

অধ্যাপক তোফায়েল আহাম্মদের দীর্ঘ কর্মজীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে এমসি কলেজেই। ১৯৯৮ সালে তিনি এই কলেজে রসায়ন বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০১৩ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০২৩ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান।

এছাড়া তিনি এমসি কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক এবং রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৫ সালে তিনি বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান।

শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি এমসি কলেজের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মোহনা’সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক মোহাম্মদ তোফায়েল আহাম্মদ বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ শুকরিয়া। সিলেটের এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠকে আরও এগিয়ে নিতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যেন সহশিক্ষা কার্যক্রমেও এগিয়ে যেতে পারে, সে লক্ষ্যেই আমি কাজ করব।”