https://www.emjanews.com/

15758

weather

প্রকাশিত

১৮ মে ২০২৬ ২০:৪৩

আবহাওয়া

ঈদের সময় সিলেটে ভারি বৃষ্টিপাত ও ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬ ২০:৪৩

ছবি: সংগৃহীত

দেশের আকাশে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামী ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হবে। সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এ তথ্য জানায়।

এদিকে ঈদুল আজহার সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি সিলেট বিভাগেও ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর প্রবল শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে অন্তত একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের সময় সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় এবং ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে।

সিলেট বিভাগ ছাড়াও দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ময়মনসিংহে ৩৪০ থেকে ৩৬০ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে ৩৩০ থেকে ৩৫০ মিলিমিটার, রংপুরে ২৬০ থেকে ২৮০ মিলিমিটার এবং ঢাকায় ২৫০ থেকে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। বরিশালে ২২০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার, রাজশাহীতে ১৭০ থেকে ১৯০ মিলিমিটার এবং খুলনায় ১৬০ থেকে ১৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ঈদের সময়ের আবহাওয়া প্রসঙ্গে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক বলেন, “বর্তমানে কালবৈশাখী ঝড়ের মৌসুম চলায় ঝড়-বৃষ্টি হওয়াটা স্বাভাবিক। মে মাসের শেষের দিকে দেশের দু-একটি অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস থাকলেও কোন অঞ্চলে কেমন বৃষ্টিপাত হবে তা এখনই সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়।”

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ও ভারি বর্ষণের কারণে উপকূলীয় ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন হতে পারে।