https://www.emjanews.com/

16272

sylhet

প্রকাশিত

১০ জুন ২০২৬ ২০:০৪

সিলেট

সিলেট-ঢাকা সড়কে যানজট নিরসনে নতুন রুট, শুক্রবার থেকে কার্যকর

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬ ২০:০৪

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের তীব্র যানজট ও সড়ক নির্মাণ কাজের কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ কমাতে সিলেটের প্রধান প্রবেশপথ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হুমায়ুন রশীদ চত্বর থেকে চন্ডিপুল অংশে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা ও রুট পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। আগামী শুক্রবার থেকে নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হবে।

বুধবার (১০ জুন) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়।

জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চন্ডিপুল থেকে হুমায়ুন রশীদ চত্বর অংশটি সিলেট নগরীর অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও যাত্রী এ পথ ব্যবহার করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সড়ক উন্নয়ন ও নির্মাণকাজের কারণে এ এলাকায় তীব্র যানজট, ধুলোবালি ও ভাঙাচোরা সড়কের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন করতে নতুন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় এসএমপি।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী শুক্রবার থেকে সিলেট-ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচলকারী ঢাকামুখী সকল যানবাহনকে হুমায়ুন রশীদ চত্বর থেকে চন্ডিপুল পয়েন্ট পর্যন্ত একমুখী সড়ক ব্যবহার করে চলাচল করতে হবে।

অন্যদিকে, সিলেটমুখী সকল যানবাহন চন্ডিপুল পয়েন্টে এসে সরাসরি প্রবেশ না করে বাম দিকে মোড় নিয়ে বঙ্গবীর রোড ব্যবহার করে কদমতলীস্থ নিজ নিজ টার্মিনালে প্রবেশ করবে।

এছাড়া হুমায়ুন রশীদ চত্বর, চন্ডিপুল পয়েন্ট, বাবনা পয়েন্ট, কীনব্রিজের দক্ষিণ পাড় এবং কদমতলী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার ওপর কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা স্থাপন বা অবৈধ পার্কিং করা যাবে না বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এসএমপি জানিয়েছে, নতুন ট্রাফিক নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যকর হলে দীর্ঘদিনের যানজট কমবে এবং সিলেট নগরীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হবে।