মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস (পাইনঅ্যাপল টাউন) অভিবাসন আটক কেন্দ্রে থাকা ১৫০ জনের বেশি অভিবাসী বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহজুড়ে ধাপে ধাপে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ।
অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে রয়েছেন ১২৭ জন মিয়ানমারের, ৭ জন বাংলাদেশের, ৭ জন ভিয়েতনামের, ৫ জন পাকিস্তানের, ২ জন চীনের এবং ২ জন নেপালের নাগরিক। তাদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২) এবং সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
বিভাগটি জানায়, প্রত্যাবাসনের বিমান ভাড়ার অর্থ বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের আর্থিক সহায়তা অথবা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বহন করেছে।
প্রত্যাবাসিত এসব ব্যক্তি মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনে সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরার সুযোগ পান। এর মধ্যে রয়েছে দণ্ডবিধি (অ্যাক্ট ৫৭৪), বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫২ (অ্যাক্ট ২৩৪), অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫), অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩সহ অন্যান্য আইনের অধীনে বিভিন্ন অপরাধ।
জেআইএম জানিয়েছে, দেশে ফেরত পাঠানো প্রত্যেক ব্যক্তিকে কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
অভিবাসন বিভাগ বলেছে, সাজা শেষ করা অভবাসী বন্দিদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো পেকান নেনাস অভিবাসন আটক কেন্দ্রের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম। এর মাধ্যমে আটক কেন্দ্রে অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়ানো এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনা কার্যকর রাখা সম্ভব হচ্ছে।
এ ছাড়া আটক ব্যক্তিদের প্রত্যাবাসন-সংক্রান্ত সব ধরনের কার্যক্রম, যেমন বিমান টিকিট ক্রয়সহ প্রয়োজনীয় সেবা, পেকান নেনাস অভিবাসন আটক কেন্দ্রের নির্ধারিত সেবা কাউন্টার থেকে কোনো অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ ছাড়াই সম্পন্ন করা যায় বলে জানিয়েছে অভিবাসন বিভাগ।
