শিরোনাম
সিলেটে ভবন নির্মাণ ও সংস্কারে জরুরি ঘোষণা: লাগবে সিউকের অনুমোদন সিলেটে ৩ খু/ন: বাবুলকে ৪ দিনের রিমান্ডে নিলো পুলিশ সিলেটের পাহাড়-নদী চষে বেড়াচ্ছে বিজিবি: আড়াই কোটি টাকার চালান জব্দ সিলেটে যে ভাইরাসে হাসপাতালে রোগীর ভিড়: আরেক মৃ/ত্যু নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে ফের শঙ্কা শাহজালাল মাজারে এবার মিললো ‌৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা: সাথে ২ ভরি স্বর্ণ, বৈদেশিক মুদ্রা সিলেটে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির আভাস সিলেটে মেয়েকে ধ/র্ষণের অভিযোগ করায় বাবাকে হ/ত্যা, গ্রে/প্তার আসামির ছেলে সিলেটে মেয়েকে ধ/র্ষণের অভিযোগ করায় পুলিশের উপস্থিতিতেই বাবাকে কু/পিয়ে খু/ন সিলেটে ৩ খু/নের প্রকৃত অপরাধী চিহ্নিতের নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর

https://www.emjanews.com/

17170

national

প্রকাশিত

১৭ জুলাই ২০২৬ ২১:৩১

আপডেট

১৭ জুলাই ২০২৬ ২১:৩৩

জাতীয়

২ মাসের শি/শুর পা মুচড়ে দেওয়া সেই চাচি গ্রে/প্তার

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬ ২১:৩১

নরসিংদীতে মাত্র দুই মাস বয়সী এক শিশুর পা মুচড়ে পৈশাচিক নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত পাষণ্ড চাচি ফারজানা আক্তার লতা বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১১।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নরসিংদীর মাধবদীতে পারিবারিক কলহের জেরে নিজ দেভরের দুই মাস বয়সী অবুঝ শিশুটির ওপর অমানবিক নির্যাতন চালান লতা বেগম। শিশুটির পা মুচড়ে দেওয়ার সেই ভয়াবহ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশজুড়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। জনরোষ এড়াতে লতা বেগম আত্মগোপনে চলে যান। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র‍্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শেষ পর্যন্ত রূপগঞ্জ থেকে তাকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়।

র‍্যাব-১১ নরসিংদীর ক্যাম্প কমান্ডার মো. আরিফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লতা বেগম নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন। তাকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মাধবদী থানায় হস্তান্তর করার প্রস্তুতি চলছে। 

উল্লেখ্য, এই নৃশসংতার ঘটনায় গত ১৪ জুলাই নরসিংদীর প্রবেশন অফিসার রিজা আক্তার বাদী হয়ে মাধবদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় লতা বেগমের স্বামী কাউছার আহমেদ ও বাবা আলমাছ মিয়াকেও আসামি করা হয়। পুলিশ ইতিপূর্বেই স্বামী ও শ্বশুড়কে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠালেও প্রধান আসামি লতা পলাতক ছিলেন। আজকের এই গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মামলার সকল আসামি এখন আইনের হেফাজতে রয়েছে।