সিলেট নগরের আম্বরখানা এলাকায় ময়লার স্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া মানুষের খণ্ডিত পায়ের পরিচয় পাঁচ দিনেও শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। পায়ের অংশটি কার এবং কে বা কারা সেটি সেখানে ফেলে গেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা পায়ের অংশটি উদ্ধার করে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত এটি কার, তা জানা যায়নি। কে বা কারা পায়ের অংশটি সেখানে ফেলে গেছে, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বিষয়টি অনুসন্ধান করছে।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে নগরের আম্বরখানা-এয়ারপোর্ট সড়কের আম্বরখানা পয়েন্ট এলাকায় ময়লার স্তূপ থেকে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় মানুষের একটি খণ্ডিত পায়ের অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয়রা ময়লার স্তূপে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় পায়ের অংশটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটি উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
তখন পুলিশ জানিয়েছিল, পায়ের অংশটিতে কিছুটা পচন ধরেছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কোনো রোগীর অস্ত্রোপচারের সময় কেটে ফেলা পায়ের অংশ কেউ ময়লার স্তূপে ফেলে রেখে যেতে পারেন।
তবে পাঁচ দিন পরও ডিএনএ পরীক্ষার ফল না আসায় পায়ের অংশটি কার, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। একই সঙ্গে এটি কোথা থেকে এসেছে এবং কে বা কারা ময়লার স্তূপে ফেলে গেছে, তা জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
