সিলেটের গোয়াইনঘাটে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টা চলাকালে ২ নারীসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের নলজুরি বড়ইতলা গ্রাম থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ। পরে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরের পর বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটকরা হলেন, বাগেরহাট জেলার বকুলতলা গ্রামের হাবিব হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল (২১), খুলনা জেলার দিঘলদিয়া থানার বাগমারা গ্রামের হুমায়ুন শিকদারের ছেলে মো. রাব্বি শিকদার (১৭), খুলনা জেলার কাজিগঞ্জ মোগলা গ্রামের রিয়াদুলের ছেলে মো. কাউছার (১৬), বাগেরহাট জেলার বকুলতলা গ্রামের বাবুল মোল্লার ছেলে মো. ওমর ফারুক (১৮), বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ থানার নিশানবাড়িয়া গ্রামের মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে মো. পারভেজ হাসান (২১), নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ভোমবাগ গ্রামের সুরত আলীর মেয়ে শম্পা (২৪) এবং ঢাকা জেলার যাত্রাবাড়ী এলাকার সুতারপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের মেয়ে মুন্নি (১৬)।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্র জানায়, অজ্ঞাত এক দালালের মাধ্যমে উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সিলেটের পর্যটন এলাকা জাফলংয়ে আনা হয়। সেখানে দুই নারীকে ভারতে বাসাবাড়িতে মাসে ৫০ হাজার টাকা এবং পাঁচ যুবককে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মাসে ৩৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে মিজান নামে এক ব্যক্তি তাদের নলজুরি বড়ইতলা গ্রামের আব্দুল মান্নানের বাড়িতে এনে রাখে। সেখান থেকেই অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তামাবিল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক মোহাম্মদ আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সেপ্টেম্বর গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ জানায় আটককৃতদের পাসপোর্ট আইনে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
