https://www.emjanews.com/

19413

national

প্রকাশিত

০৭ অক্টোবর ২০২৬ ২১:২০

আপডেট

০৭ অক্টোবর ২০২৬ ২১:২১

জাতীয়

নাগরিকের গোপন তথ্য বিক্রির অভিযোগে চার পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ২১:২০

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য, মোবাইল সিমের অবস্থান, কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর), এসএমএস, পাসপোর্টসহ নাগরিকের বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করে বিক্রির অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার বিভাগ।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন- ডেমরা থানার পুলিশ কনস্টেবল সাইমন হোসেন রাশেদ ও মাসুম মিয়া, ওয়ারী থানার পুলিশ কনস্টেবল নিজাম উদ্দীন এবং তুরাগ থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. জিহাদ মিয়া।

ডিবি সূত্র জানায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ডিবির এসআই আবিদুর রহমান বাদী হয়ে চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করেন। মামলায় অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১ এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও চার পুলিশ সদস্য প্রতারণার মাধ্যমে বেআইনিভাবে মুঠোফোনের সিডিআর সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি করতেন। একই সঙ্গে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর এবং নাগরিকের সিম বা মুঠোফোন নম্বরের কললিস্ট, সর্বশেষ কলের অবস্থান, এনআইডিসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হস্তান্তর ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ডিবির সাইবার মনিটরিংয়ের সময় গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রথমে ফেসবুকের একটি অ্যাকাউন্ট, একটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট এবং একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বরের সিডিআর বিক্রির বিষয়টি নজরে আসে। পরে অনুসন্ধানে সিডিআর বিক্রির টাকা লেনদেনে ব্যবহৃত একটি বিকাশ নম্বরের তথ্যও পাওয়া যায়।

তদন্তের একপর্যায়ে এসব তথ্যের সঙ্গে চার পুলিশ সদস্যের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে আসে। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, সিডিআরসহ বিভিন্ন গোপন তথ্য সংগ্রহ করে বিক্রির অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ডিবি। অভিযোগের সত্যতা ও নাগরিকদের কী পরিমাণ ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ ও বিক্রি করা হয়েছে, তদন্ত শেষে তা আরও স্পষ্ট হবে।