শিরোনাম
দুর্ঘটনা থামছে না সিলেটে, ৯ মাসে প্রাণ গেলো ২৮৮ জনের যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন, দুজনের কারাদণ্ড জাতীয় পতাকা প্রদর্শনে নতুন নির্দেশনা বিয়ানীবাজারে ৭৩ বছর ধরে এক উঠানে চলছে নামাজ ও পূজা!  সিলেটে আ.লীগ নেতা কামাল ফের আ/ট/ক: এবারও ভারতে যাওয়ার চেষ্টা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মারামারির ভিডিও নিয়ে স্টেশনক্লাবের জিডি সিলেটে সিএনজি চালক হ/ত্যা: বাবা ও চার ছেলে গ্রেফ/তার দরপত্র ছাড়াই যাদুকাটার দুই বালুমহাল বিএনপি নেতাকে বুঝিয়ে দিল প্রশাসন কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়ে সাগরে প্রাণ হারালেন তিন পর্যটক, নিখোঁজ ২ সিলেটে বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়

https://www.emjanews.com/

19871

international

প্রকাশিত

২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১০:১৪

আন্তর্জাতিক

তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত অন্তত ১৬

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১০:১৪

ছবি: সংগৃহীত

চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শত শত বাড়িঘর, ব্যাহত হয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ভূমিধসের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি সড়ক। দুর্গম পার্বত্য এলাকায় ভূমিকম্পের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। ভূমিকম্পের পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে। তবে পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্নের কারণে উদ্ধারকাজে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের বাকেন এলাকায়। শক্তিশালী কম্পনে শুধু কেন্দ্রস্থল নয়, আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকাও কেঁপে ওঠে। কামদো ও নিংচি শহরেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চল হওয়ায় তিব্বতের অনেক বসতি দুর্গম এলাকায় অবস্থিত। সেখানে বাড়িঘর, সড়ক এবং অন্যান্য অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। ভূমিকম্পের পর কোনো কোনো এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিস্থিতি সম্পর্কেও তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া কঠিন।

ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত সব এলাকায় উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

ভূমিকম্পের আঘাতে তিন শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও বাড়ির দেয়াল ও অন্যান্য অংশ ভেঙে পড়েছে, আবার কোথাও অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর ভূমিধসের কারণে কয়েকটি সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো উদ্ধারকর্মীদের জন্য আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
চীনের পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে ভূমিকম্পের ঘটনা আগেও ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়েছে। ২০২৩ সালে গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ১২০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

তিব্বত ও নেপাল অঞ্চলে দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধস, ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের খবর সামনে এসেছিল। ওই ঘটনায় অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে। এ ছাড়া শত শত মানুষের নিখোঁজ থাকার খবরও পাওয়া যায়।

এমন বিপর্যয়ের ক্ষত কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন করে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা ওই অঞ্চলের দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।