শিরোনাম
৫৭৩ কোটি টাকার কুশিয়ারা ডাইক, তবু নদীভাঙনে বিলীন ফসলি জমি ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট বুধবার চালুর সম্ভাবনা সিলেটে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত সিলেটের উন্নয়নে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে মাহা-ইমজা অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন বাণিজ্যমন্ত্রী রমজানে বাড়তি চাহিদা কাটিয়ে দাম স্থিতিশীল রাখতে যে পরিকল্পনা বাণিজ্যমন্ত্রীর বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশেও এলআর ফান্ডের তথ্য দেয়নি সিলেট জেলা প্রশাসন সিলেটে পুকুর দখল-ভরাট বন্ধে কমিটি গঠনের নির্দেশ সিলেট বিভাগে ১৬ জন নতুন সহকারী কমিশনার সিলেটে মন্ত্রী মুক্তাদিরের সফর ঘিরে পাঁচ কর্মসূচি

https://www.emjanews.com/

20024

international

প্রকাশিত

২৭ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৪২

আন্তর্জাতিক

হুতিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের!

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৪২

ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং সৌদি আরবে হামলা বন্ধ করতে ইরানের মধ্যস্থতায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে সৌদি আরব- এমন দাবি করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ইসরায়েল হায়োম’। তবে প্রস্তাবিত অর্থের পরিমাণ ও অর্থ হস্তান্তরের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুতিদের হামলা বন্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের আকস্মিক তেহরান সফরের সময় এ বিষয়ে আলোচনা হয়। ইরান সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দেয়। এমনকি একটি সূত্র দাবি করেছে, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী যে হারকিউলিস সামরিক পরিবহন বিমানে তেহরানে পৌঁছান, তাতে করে তিনি ১০০ কোটি ডলার নগদ নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ অর্থ বহন বা হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির সদস্যদেশগুলোর প্রতিনিধিদের তেহরান সফরের উদ্দেশ্য আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধান উৎসাহিত করা এবং কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার উদ্যোগকে সমর্থন দেওয়া। তবে বিবৃতিতে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
‘ইসরায়েল হায়োম’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনায় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন অংশ নেন। ইরানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। 

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হুতিদের হামলায় দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ও তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় আঞ্চলিক সংকট আরও জটিল হয়েছে। হুতিদের হামলার কারণে রিয়াদ বিমানবন্দর কয়েক দিনের জন্য বন্ধ রাখতে হয়েছিল এবং একটি বড় বিনিয়োগ সম্মেলন পিছিয়ে দিতে হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত সমঝোতা অনুযায়ী, হুতি-নিয়ন্ত্রিত এলাকার বেসামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং সরকারি কর্মীদের বেতন পরিশোধে অর্থ সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। বিনিময়ে হুতিদের যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং সৌদি আরবে হামলা বন্ধ করতে হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উদ্ধৃত এক সৌদি কর্মকর্তা বলেছেন, হুতিদের সঙ্গে বিরোধের অন্যতম কারণ তিন বছর আগে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে মতবিরোধ। অন্যদিকে, হুতিরা সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আগের সমঝোতা থেকে সরে আসার অভিযোগ তুলেছে।

তবে সৌদি আরবের তেহরান সফর ও আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক উদ্যোগের কথা সরকারি বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হলেও, হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব এবং নগদ অর্থ তেহরানে নিয়ে যাওয়ার দাবি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।