শিরোনাম
সিলেটসহ সারাদেশে গ্যাস বন্ধের বিষয়ে পেট্রোবাংলা বলছে গুজব সিলেটে ময়লার ছবি তুলে জিতে নিন লাখ টাকা: সিসিকের ছবি তোলার প্রতিযোগিতা সিলেটে স্ত্রীর ছবি তোলার প্রতিবাদ করায় স্বামীকে হ/ত্যা, গ্রেফ/তার এক দ্বারপ্রান্তে ‘মুরাসু’, চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা সৌদি প্রবাসীদের জন্য সরকারের ১৬ বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে স্কেল নিয়ে চিঠি, স্মারক নম্বরে সাল ২০১৯ এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার এখন ২০৬০ টাকা মৌমির সাফল্য পুরো সমাজের গর্ব: সিলেটের জেলা প্রশাসক মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত দেশকে অস্থির করতে চক্রান্ত চলছে: সিলেটে রিজভী

https://www.emjanews.com/

20233

sylhet

প্রকাশিত

০২ নভেম্বর ২০২৬ ১৪:৪২

আপডেট

০২ নভেম্বর ২০২৬ ১৪:৪৩

সিলেট

সিলেটের হ/ত্যা মা/মলায় দম্পতিসহ ৩ জন গ্রেফ/তার: শিশুটির কী হবে?

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬ ১৪:৪২

সিলেটের বালাগঞ্জে চাচাকে হত্যার মামলায় প্রধান আসামি মির্জা টিটু, তাঁর স্ত্রী ও বোনকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতারের সময় টিটু ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ছিল তাদের শিশু সন্তান। মায়ের কোলে থাকা শিশুটিকে নিয়েই এখন তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন। মা-বাবা দুজনই হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গ্রেফতার হওয়ায় শিশুটির পরবর্তী দায়িত্ব কে নেবেন, তা নির্ধারণ করবে আদালত।

রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ও রাতে চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানাধীন ব্রিকফিল্ড রোড এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসআরবি-৭ ও এসআরবি-৯ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব মুসলিমাবাদ এলাকার মৃত মির্জা ফরিদের ছেলে মির্জা টিটু (৩৫), তাঁর বোন মির্জা জেনি (৩৮) এবং স্ত্রী সালমা বেগম (২৫)। গ্রেফতারের সময় টিটু ও সালমার সঙ্গে তাদের শিশু সন্তানও ছিল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বালাগঞ্জের পূর্ব মুসলিমাবাদ এলাকার মির্জা আব্দুল লতিফ ওরফে আবুল (৬৫) এবং তাঁর ভাই মির্জা আব্দুল কাদির অভিযুক্তদের কাছ থেকে বসতবাড়ির জায়গা কেনার জন্য ১২ লাখ টাকা দেন। কিন্তু জায়গা রেজিস্ট্রি না করে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা ফেরত দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৫ অক্টোবর রাতে ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা টাকা ফেরত চাইতে গেলে হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় মির্জা টিটুর নির্দেশে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আব্দুল লতিফ, তাঁর ছেলে মির্জা জাহাঙ্গীর ও ভাই আব্দুল কাদিরকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক আব্দুল লতিফকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে বালাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।

এসআরবি-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, এসআরবি-৭ ও এসআরবি-৯-এর যৌথ অভিযানে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় টিটু দম্পতির সঙ্গে তাদের শিশু সন্তানও ছিল। শিশুটির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আদালত নেবেন।

বালাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ তদফদার জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর এসআরবি-৭-এর সহযোগিতা চাওয়া হয়। পরে দুই ব্যাটালিয়নের যৌথ অভিযানে চট্টগ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের সিলেটে নিয়ে আসতে বালাগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। সিলেটে আনার পর তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

শিশুটির বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে শিশুটি সঙ্গে থাকলে তাকে দেখভালের জন্য পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের কাছে দেয়া হবে কি না এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন।