শিরোনাম
জিন্দাবাজারের শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ জিউর আখড়া তালাবদ্ধ: আত্মসাত হয়েছে সাড়ে ২৪ কোটি টাকা সিলেটে খু নে র পর পালিয়েছিলেন ১৪ বছর, অবশেষে ধরা আজ থেকে নগরীতে রাত ৯ টায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ: ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পার্কিং স্পেস উন্মোক্ত করতে হবে ভারত বাংলাদেশকে সবসময় আপন মনে করে: হাইকমিশনার খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে ঢাকার অনুমতি চাইলো এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ৬ ডিসেম্বর: স্বৈরাচার পতন দিবস তফসিল ঘোষণার তারিখ এখনো ঠিক করেনি ইসি, প্রস্তুতি চলছে আজ হবিগঞ্জ মুক্ত দিবস নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিতদের ভোটদানে করণীয় জানালো ইসি একটি দলের অপকর্মের লাল কার্ড দেখাতে প্রস্তুত দেশবাসী: সিলেটে ডা. শফিকুর রহমান

https://www.emjanews.com/

11879

surplus

প্রকাশিত

০২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:০৩

অন্যান্য

শিক্ষকদের সতর্ক করলেন শিক্ষা উপদেষ্টা

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:০৩

ছবি: ড. সি আর আবরার

দেশের বিভিন্ন স্থানে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধ করে যে কর্মসূচি নিয়েছেন, তা সরকারি কর্মচারী বিধি লঙ্ঘন বলেই মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার।

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।’

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলনের নামে যা করছেন, তা সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল। সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য তাদের তৈরি থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও অনেক বিদ্যালয়ে তা হয়নি।’ এ পরিস্থিতিকে তিনি ‘একেবারেই অনভিপ্রেত’ বলে উল্লেখ করেন।

গ্রেড উন্নীতকরণ নিয়ে শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে ড. আবরার জানান, নবম গ্রেডে যাওয়ার দাবি অন্যায় ও অযৌক্তিক, কারণ নিয়োগের সময় তারা জানতেন তাদের অবস্থান দশম গ্রেডেই থাকবে।

তিনি বলেন, ‘নবম গ্রেডে বিসিএস অ্যাডমিন ক্যাডাররা আসেন। এটি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বিষয়। যে কেউ হুট করে সেই গ্রেডে যেতে পারে না।’

শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকে আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করাকে তিনি চরম অনৈতিক বলে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘যখন পরীক্ষা চলছে বা সামনে পরীক্ষা, সে সময় শিক্ষার্থীদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শিক্ষক হিসেবে অনৈতিক কাজ।’

এ অবস্থায় শিক্ষা উপদেষ্টা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমরা তাদের অযৌক্তিক দাবি প্রত্যাখ্যান করছি। তাদের বলছি, আগামীকাল থেকেই পরীক্ষা নিন। অন্যথায় সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিধি লঙ্ঘনের দায়ে যেসব শাস্তির বিধান রয়েছে, সেগুলোর মুখোমুখি হতে হবে।’

তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরীক্ষা দিতে আগ্রহী। কিন্তু কিছু সংখ্যক শিক্ষক পরীক্ষা নিচ্ছেন না।

শেষে তিনি আবারও সতর্ক করে বলেন, ‘শিক্ষকরা আগামীকালই পরীক্ষা নেবেন। নাহলে তারা শাস্তির সম্মুখীন হবেন।’