শিরোনাম
পৌষসংক্রান্তিতে শেরপুরে শতবর্ষী মাছের মেলা তিন শর্ত মেনে অঙ্গীকারনামা দিতে বলায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ফের বাড়তে পারে শীত, ১০ জেলায় তাপমাত্রা নামার আশঙ্কা জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট সিলেটে বিনামূল্যে ঠোঁট ও তালুকাটা রোগীদের প্লাস্টিক সার্জারির উদ্বোধন সিলেটে দোকানে গ্যাস নেই, বাড়িতে বিশাল মজুত : জ রি মা না সিলেটে পৃথক অভিযানে আ-ট-ক তিন : ৬ লাখ টাকা, চো-রা-ই মোটরসাইকেল উ-দ্ধা-র সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শাটডাউন চলছে : হয়নি ক্লাস-পরীক্ষা সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অনির্দিষ্টকালের শাটডাউন কাশ্মীরের শাক্সগাম উপত্যকাকে নিজের ভূখণ্ড দাবি করল চীন

https://www.emjanews.com/

12996

surplus

প্রকাশিত

১২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮:৫৪

অন্যান্য

বাংলাদেশসহ চার দেশের শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়া কঠিন করল অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮:৫৪

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ভিসা প্রক্রিয়া আরও কঠিন করেছে অস্ট্রেলিয়া। ‘স্বচ্ছতা-সংক্রান্ত সমস্যা’ উল্লেখ করে দেশগুলোকে সর্বোচ্চ ঝুঁকির ক্যাটাগরি এভিডেন্স লেভেল-৩ (EL3)–এ অন্তর্ভুক্ত করেছে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকার। খবর জানিয়েছে নিউজ ডটকম এইউ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষায় যাওয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগই এই চার দেশ থেকে এসেছিলেন। তবে সম্প্রতি নেওয়া সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানকে এভিডেন্স লেভেল-২ (EL2) থেকে উন্নীত করে এভিডেন্স লেভেল-৩–এ স্থানান্তর করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি সেক্রেটারি ড. আবুল রিজভি এই সিদ্ধান্তকে ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একযোগে চারটি দেশকে উচ্চ ঝুঁকির ক্যাটাগরিতে নেওয়ার ঘটনা বিরল।

অস্ট্রেলিয়ার হোম অ্যাফেয়ার্স দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের এভিডেন্স লেভেলে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এই পরিবর্তন উদীয়মান ইন্টিগ্রিটি সমস্যা কার্যকরভাবে মোকাবিলায় সহায়ক হবে। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে।’

মুখপাত্র আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়ান সরকার চায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা দেশটিতে অবস্থানকালে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা অর্জন করুক এবং উচ্চমানের শিক্ষা গ্রহণ করুক। এজন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষা ব্যবস্থা ও স্টুডেন্ট ভিসা প্রোগ্রামে সঠিক ও শক্তিশালী নীতিমালা থাকা জরুরি।

অস্ট্রেলিয়ার সিম্প্লিফায়েড স্টুডেন্ট ভিসা ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী, ভিসা জালিয়াতি বা প্রত্যাখ্যানের হার, ভিসা বাতিল, অবৈধভাবে অবস্থানের প্রবণতা এবং পরবর্তী সময়ে শরণার্থী আবেদন-এসব সূচকের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দেশ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এভিডেন্স লেভেল নির্ধারণ করা হয়।

নতুন সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পূর্ববর্তী শিক্ষার ইতিহাস সংক্রান্ত আরও বিস্তারিত ও কঠোর ডকুমেন্টেশন জমা দিতে হবে। ফলে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া আগের তুলনায় আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।