সিলেট ইনক্লুসিভ স্কুল এন্ড কলেজে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসব শনিবার
প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারী ২০২৬ ২০:১২
ছবি: সংগৃহীত
সিলেট নগরীর বাগবাড়িস্থ ইনক্লুসিভ স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আগামী শনিবার (২৪ জানুয়ারি) আনন্দঘন পরিবেশে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, চড়ুইভাতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘অনুভবে শিমুলতলা’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও অতিথিদের অংশগ্রহণে এক মিলনমেলায় পরিণত হওয়ার প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।
অনুষ্ঠানের সূচনা হবে সকাল ১১টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠের মাধ্যমে। এরপর সকাল সাড়ে ১১টা থেকে শিক্ষক, অভিভাবক ও অতিথিদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ক্রীড়া ও খেলাধুলার আয়োজন করা হয়েছে, যা পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।
দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এ সময় প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে তাদের সাফল্যকে সম্মান জানানো হবে।
বিকাল ৩টায় শুরু হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে শিক্ষার্থীরা নৃত্য, গানসহ বিভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে। বিকাল ৪টায় আয়োজন করা হবে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব, যেখানে গ্রামবাংলার স্বাদ ও ঐতিহ্য উপভোগের সুযোগ পাবেন উপস্থিত অতিথিরা।
সন্ধ্যা ৬টায় সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ আয়োজনের পর্দা নামবে।
শুক্রবার প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে গিয়ে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চোখে পড়ে। প্রতিষ্ঠান আঙিনা নতুন করে সাজানো হচ্ছে। এসময় তদারকিতে থাকা সিলেট ইনক্লুসিভ স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক ফারজানা ইশরাত বলেন, ‘আমাদের আর্থিক অনেক সীমাবদ্ধতা থাকলেও এই আয়োজন শুধু ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা ও সামাজিক দক্ষতা বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে।’
অনুষ্ঠানের পৃষ্টপোষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠান একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার উদাহরণ। এখানে সব শিক্ষার্থী সমান সুযোগ পায়। এমন আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয় এবং একটি মানবিক সমাজ গঠনের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।’
আয়োজকরা জানান, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে সহায়তা করা, শিক্ষক-অভিভাবক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
