শিরোনাম
শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ২৫ পদ শূন্য, মিলছে না প্রয়োজনীয় সেবা ইউপি নির্বাচন: জামানত পাঁচগুণ, সমান ভোটে হবে পুনঃভোট সরকারি কমিটি পুনর্গঠনে নতুন নিয়ম, সিলেটেও বদল আসছে সিলেটে ২ নারীসহ আ/ট/ক ৭: কাজের নামে ভারতে পা/চা/রের চেষ্টা সিলেটে মেঝেতে রেখে দেওয়া হচ্ছে হামের চিকিৎসা সিলেট সীমান্তে বিজিবির ব্যাপক অভিযানে যা মিললো সিলেট জেলা ও বিভাগে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হলেন যারা সিলেটে সকালবেলা মিললো দুঃসংবাদ: আরো একজনের প্রাণহানী বিদেশগামী কর্মীদের নতুন কল্যাণ ফি, গুনতে হবে বাড়তি টাকা প্রতিদিন গণনা হবে শাহজালাল মাজারের দানের টাকা, ৬৫ শতাংশ পাবে মাজার কর্তৃপক্ষ

https://www.emjanews.com/

13494

international

প্রকাশিত

০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২২:২২

আন্তর্জাতিক

খাবার ও পানি মজুদ করছে ইরানিরা

প্রকাশ: ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২২:২২

ছবি: সংগৃহীত

গেলো শুক্রবার থেকেই ইরানে একটি চাপা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গুজব ছড়িয়ে গেছে যে যেকোনো মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হামলা চালাতে পারে। যদিও ইরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে আলোচনার ব্যবস্থা চলছে, তবুও জনগণের মধ্যে ভয় এখনও প্রবল। তেহরানের বাসিন্দারা জানালা বন্ধ করছে, প্রয়োজনীয় খাবার ও পানি মজুত করছে এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা তৈরি রাখছে।

৪৩ বছর বয়সি এক প্রকৌশলী বলেন, ‘আমি শুধু অপেক্ষা করছিলাম কখন আঘাত আসবে। সকাল পর্যন্ত ঘুমাতে পারিনি। বারবার জেগে বিস্ফোরণের শব্দ শুনি কি না, সেটাই দেখছিলাম।’

অন্য একজন বাসিন্দা শোহরেহ জানান, মানুষ যেন মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছে এবং সবকিছু নিয়ে বিভ্রান্ত।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সামরিক বহর মোতায়েন কেবল সৌদি আরব ও ইসরাইলের সঙ্গে নতুন অস্ত্রচুক্তি নয়, ইরানিদের জন্য মানসিক চাপ, বিভ্রান্তি এবং ভয়ও তৈরি করেছে। সরকারি কর্মচারী আরজু বলেন, ‘সবাই শান্ত থাকার চেষ্টা করছে, কিন্তু প্রত্যেকেই প্রথম বিস্ফোরণের জন্য অপেক্ষা করছে। প্রতিবেশীরাও জানালা বন্ধ করে নিরাপত্তা বাড়াচ্ছে।’

ইরানে তিন সপ্তাহের ইন্টারনেট বন্ধ থাকার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আবার চালু হয়েছে। এখন সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশিকা ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০ দিনের খাবার ও পানি মজুত রাখা, প্রাথমিক চিকিৎসার বাক্স হাতে রাখা, জরুরি কাগজপত্র ব্যাগে রাখা, বিস্ফোরণের শব্দে খোলা জায়গায় চলে যাওয়া এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেওয়ালের পাশে মাটিতে শুয়ে থাকা।

এই ভয় ও প্রস্তুতি শুধু ইরানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বের প্রায় ৪০ লাখ ইরানি প্রবাসীর মধ্যেও একই আশঙ্কা কাজ করছে। অনেকে আবার ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়ও পাচ্ছেন, যেমনটি গত মাসের বিক্ষোভ দমনকালে হয়েছিল, ফলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হারানোর ভয় তাদের মনকে উদ্বিগ্ন করছে।