শিরোনাম
সিলেটসহ সারাদেশে বজ্রসহ বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস সিলেটের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শনিবার সিলেটে আসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান পেল ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ ২০ এপ্রিল থেকে সিলেটে মাসব্যাপী  হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সিলেটে খরচ ছাড়াই ১২৬ তরুণ-তরুণীর স্বপ্নপূরণের বিয়ে সিলেটের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না শনিবার জিন্দাবাজারের সেই মার্কেট খালি করতে অভিযানে প্রশাসন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

https://www.emjanews.com/

14885

sylhet

প্রকাশিত

১১ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫৩

আপডেট

১১ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:২৬

সিলেট

সিন্ডিকেট ভাঙ্গবে সিলেটের ‘কৃষকের হাট’: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫৩

সিলেটে কৃষিপণ্যের বাজারে সিন্ডিকেট প্রভাব কমাতে সরাসরি কৃষকের বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের যে অভিযোগ রয়েছে, তা দূর করতে সরকার কাজ করছে এবং এই ধারণা মুছে ফেলার লক্ষ্য নিয়েই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে নগরের টিলাগড়ে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে দেশের প্রথম সরাসরি কৃষকদের বিক্রয়কেন্দ্র ‘কৃষকের হাট’ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, এই হাটের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি ভোক্তার কাছে বিক্রি করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, আমদানি নির্ভর পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে পুরো সাপ্লাই চেইনকে এআই মডেলের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বাজারে নজরদারি জোরদার করা সহজ হবে এবং মূল্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতি বছর এ সংস্থার জন্য সরকার ভর্তুকি দিয়ে থাকে এবং কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সারা দেশে সপ্তাহে অন্তত একদিন কৃষকরা যাতে সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারেন, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজাউন নবী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কৃষিপণ্যের বাজারে মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের প্রভাব কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন সকালে টিলাগড় পয়েন্টে এই বাজার বসবে, যেখানে প্রান্তিক কৃষকরা সরাসরি ক্রেতাদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে মাঠ থেকে ভোক্তা পর্যন্ত একটি কৃষিপণ্য পৌঁছাতে চার থেকে পাঁচবার হাতবদল হয়। এতে প্রতিটি স্তরে দাম বাড়লেও কৃষক তার ন্যায্য মূল্য পান না, অন্যদিকে ভোক্তাকে বেশি দামে কিনতে হয়। নতুন এই উদ্যোগ চালু হলে কৃষক ন্যায্য দাম পাবেন এবং ভোক্তার জন্যও পণ্যের দাম তুলনামূলক কম হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।