ছবি: সংগৃহীত
দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গাইবান্ধায় সর্বোচ্চ ৪ জন, সিরাজগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ২ জন, নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ১ জন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় ১ জন এবং পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া, সুন্দরগঞ্জের ধোপাডাংগা এবং ফুলছড়ি উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুই শিশুসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শিশু ফুয়াদ ও তার চাচাতো ভাই রাফি, সাদুল্লাপুর উপজেলার মিজানুর রহমান এবং ফুলছড়ি উপজেলার আলী আকবর। এছাড়া ফুলছড়িতে আরও একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার দুপুরে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ধোপাডাংগায় নিজ বাড়ির বারান্দায় খেলছিল ফুয়াদ ও রাফি। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতের আঘাতে তারা গুরুতর আহত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়ায় জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন মিজানুর রহমান। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ফুলছড়ি উপজেলার বুলবুলির চরে কৃষক আলী আকবর বজ্রপাতে নিহত হন।
এছাড়া সিরাজগঞ্জ ও জামালপুর জেলায় পৃথক বজ্রপাতে দুইজন করে মোট চারজন নিহত হয়েছেন। নাটোরের সিংড়া উপজেলায় একজন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় একজন এবং পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় প্রতিনিধিরা।
বজ্রপাতের এসব ঘটনায় বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে বৈরী আবহাওয়ার সময় সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
